বারীনদা @ বারীনদা c/o বারীন'স ল্যান্ডিং

রাহুল গাঙ্গুলী




প্রিয় দাদা,
কেমন আছো।জার্নিটা যার কথা প্রায়শই বলতে, কেমন লাগলো।আচ্ছা এখন যেখানে রয়েছো : সেখান থেকে কি চাঁদ দেখা যায়।আসলে চাঁদ দেখা, সেটাও কি ১/৬, নাকি ৬গুন আকারের বড়ো।আর সেই সমুদ্রের ঢেউ, জঙ্গলের পোড়া গন্ধ সেগুলো।প্রতিবার তোমার কাছ থেকে এইসব নেশাড়ু রূপকথা শুনেছি।রূপকথা : পরিকল্পিত প্যারাডক্স।প্যারাশুট ওড়ে ওড়ে, উড়তে ভালোবাসে আর আমাদের সেই চুষে নেওয়া কাঠের তরোয়ালটা ইথারতরলে মিশতে থাকে।আচ্ছা ওই যে বুক ঘষটানোর গপ্পটা বলতে, ওই যে গো : বলতে না আলপথটাকে বড্ডো সরীসৃপ ভেবে নিতে ইচ্ছে করে তার দেখা কি এখানে পেলে।প্রশ্নটা করতে ইচ্ছে করে তোমাকে খুব।জানি পারলে তুমিই উত্তরটা দিতে পারবে।জ্যান্ত সাপ না মৃত সাপ কে বেশি বিষাক্ত।আচ্ছা মুখোমুখি মৃত্যুর সনেট লেখা হলে সাপটা কি বেশি বিষ ঢালে।তোমার কাছ থেকে ছোবল নেওয়ার গল্পটা একদিন নির্ঘাত চুরি করবো।আচ্ছা এখন যেখানে আছো : সেখানে রেল স্টেশন্ কটা।তার রং কি।তাতে রামধনুর সাতটা রঙই কি আছে।না কি কিছু বেশী কিছু কম।আমাদের দেশে মহানিষ্ক্রমনের পথটার ছবি সাপের ফনা হওয়াই উচিত ছিলো।ছিলো না কি।এ বিষয়ে ঝগড়া কিন্তু এখনো আছে।তুমি ছোলা-গুড়-ছাতু নিয়ে স্টেশনে, আমার সাপ্লাই কেবল জল।শলাপরামর্শ করে এসো একদিন টিকিট চেকার টিকিট কেটেছে কি না, চেক করবো।ডব্লু.টি. : বেশ রোমান্টিক হিরোইনের মতো।ডবকা আর উপচানো ঋতুর জোয়ার।আচ্ছা এখন কেমন লাগে সেই প্রথম চুমুটা।খুজে পেয়েছো না কি ওখানে।ওটার জন্য আমিও কিন্তু আমৃত্যু নরক প্রেমী।ধ্যুস কি সব আল-বাল-ফাল বকচি বলোতো।অবশ্য জানি কিছু চাপ নেবে না।তোমার ছায়াগুলো তো আরোই নয়।আচ্ছা গানপাউডার নিয়ে কবিতা লিখলে কেমন হয়।এমন একটা কবিতা যাতে আগুন ধরালে সূর্যোদয়কে হার মানাবে।বলা ভালো সিগারেটের ধারালো মুখটাতে সূর্যোদয়।তুমি কিন্তু
প্রমিস করেছিলে।বলেছিলাম কষাটে রক্ত চুমুক দিয়ে তোমাকে সঙ্গ দিয়ে যাব।বোতল থেকে বোতল, খালি বোতল, চ্যাপ্টা, ফাকা, অসমান, অসম্পৃক্ত।আচ্ছা সেই কাউন্ট ড্রাকুলাটা কি এখানে লুকিয়ে আছে, বা সেই সস্তার অভিনেতা : যে কিনা শার্লক হোমসের টুপিতে সারাদিন পালিয়ে বেড়ালো।এসব আত্মঘাত তুমিই শিখিয়েছ।আমার ২-মেরু।বোতাম ছিড়ে।ব্লাউজ ছিড়ে।ব্রা ছিড়ে।ডিমের প্রোটোপ্লাজম ছিড়ে।মরা ধানের খোলোশ ছিড়ে।ফড়িঙের ঝিঙে ছিড়ে : বাবাঃহ্ আরো কত্ত কি
কত্তা এট্টুন বিড়িজল হইবো না কি অহন্?
এখন আর কবিতা ছাড়া মাথায় কিছু থাকে না জানো।ইন্জিনিয়ারিংটা কতো গভীর কবিতা আগে বুঝি নি।যদিও তুমি বলতে রোজ।একটা প্রুফ দেখে দেবে প্লীজ?


বেশ্যা শব্দটার ভেতর : আত্মগোপন করা বাঘ

কেটে দিলাম।সোয়া-শব্দ শিখতে গেলে : সম্পূর্ণ

জ্যামিতি কেটে ফেলাটাই নিয়ম

নিয়ম : রোজ রাতে।দরজায়।আন-প্ল্যা ড্ টোকা

টুকটুকে টমেটো চামড়ায় : পিঁপড়ের গুড়মুখ

হবে না সন্ধি আর বোতল vs বোতল

বোতোলের ভিতর গানস্যালুটের শিকার

শিকারি যৌনতা নেমে আসে : ১টি মাত্র ট্রিগার

ট্রিগার চাটতে দিলে : সোঁদাসোঁদা ঝুরো মাটি

মাটিতে পালক্ মিশছে।রবিবার : এভাবেই পেরোলে

তরলম্যাজিকের আশটে প্রয়োজনবোধ

প্রয়োজনীয় ডেটাবেস্ : প্লীজ আর কোরো না কিছু

অসভ্যতা : মুঠোর রোঁয়া জানলা খুলে

যে পাহাড়ে হাশিশ নিলামি : হাওয়া দিচ্ছে

হাওয়ায় জাহাজ ডুবে : চৌম্বকীয় ব-দ্বীপ

কাচ গলে।কাচের চুড়ি।চুড়িতে সাজানো আয়না

কেবল ঝরে পড়ছে : কৃষ্ণচূড়ার আবেদন ভিত

ভিত সরালেই : পুরনো কফিন

সলোমন্ জেগে আছে : কমলা মাছের চোখ




আজ এখানেই ইতি টানি দাদা।রেডিওটা ভাঙবো না।ভাঙলেও : দেখা হবে।অথবা না ভাঙলেও।অন্ততপক্ষে খোলা চিঠির প্রথম পেগটা তো থাকছেই।আরেকটা চুমু তোমাকে, তাই আরেকটা হ্যাং করার লেখা



সময়ের মৃত ফ্রেম : কাকের আনজাম থেকে

মৃত ফ্রেম : তরল সময়।জলরং = নোঙর

কাচের পিন্ডগুলো : প্রতিফলিত হতেহতেহতে

বিশেষ লজ্জার অ্যালজেবরা

x = সন্ন্যাসীর সহবাসে : নৌকার দাঁড়
y = আদমবিন্দুর আনত পতন্ : কচি শিকড়
z = গোটাটাই প্রত্নতাত্ত্বিক লিপি : যুবতী লীণতাপ

হেচকি তোলা হিমঘর : x = y = z

গোটাটাই নিষ্ক্রিয় আদর : কীটনাশক মোড়কে