অন্ধকারের কাছে

রশ্মি মজুমদার

কচকচানিঃ

হুল্লোর পার্টি ভেঙে মদ খাচ্ছ নিয়ম মাফিক অছিলায়
পুরদস্তুর হালকা চালে পৃথিবীর জঘন্য উপত্যকাগুলো ভেদ করার কথা দিয়েছিলে

কথাদের আগল দেওয়া যায় টেবিলের এক কোণে দাঁড়ানো সিস্টেম্যাটিক বুদ্ধার ভঙ্গিমায়
কিন্তু ফর্মালিটির পাহারায় নৈবঃ নৈবঃ চ!

যাবতীয় কিন্তু ইত্যাদি অথবা হয়তো- কনফিউশনের তালিকা কেটেকুটে মুড়ে ওয়েস্টপেপার বক্সে ফেলে দিতে চেয়েছিলে
সেই চাওয়ারা হঠাৎ এক বিকেলে পাড়া বেড়াতে গেল।

তারপর নেশাদের দখলদারির বৃত্তান্ত- সব রাস্তার শেষ মেলে এক ঘাটে
বৃত্ত শেষে ফিরে আসায় ভীষণরকম খুশি হলে, সাথে দিলে দামী বখরা

এখন একটাকা অথবা দশটাকা... দুজনেই দুইপিঠ প্রদর্শন করতে ছাড়ে না
থ্রিবিএইচকের অপর প্রান্তে দিনরাত এক করে-

গ্লাস হাতে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে যাচ্ছ আশা আকাঙ্খাদের ধার করে নেওয়া অজুহাত।

অন্ধকারের কাছেঃ
মান ভাঙানোর পসরা তোমার কাছে সহজলভ্য ছিল
ক্রমাগত দানের মহিমায় ক্ষয়ে গেছে নক্ষত্রের আলো

ধার করার কথা শোনা যায়নি ভেসে চলা বজরার বুকে
আতস সমান মেঘের চোখকে ফাঁকি দিয়ে তুলে দিয়েছিলাম
দেওয়াল মোড়া মোমবাতি

কোন এক সময়ে এ তাপও নিভে যাবে শিশিরের মতো
তবু তার ফেলে যাওয়া মোমদাগ মনে রাখবে-
অন্ধকারই আলো মেলে রেখেছিল।

অনুযোগঃ
তুমি আস্তে আস্তে পাখি হয়ে গেলে
আর আমি
বনানীদের রক্ষাকবচ হয়ে- আপাদমস্তক এক পর্ণমোচী

এরপরে বাসা ত্যাগ করা সচকিত সময়ের ফসল বেয়ে
অতিথি সাজে ভবঘুরে,
ঘরে ফেরার পাসোয়ার্ড জানতে আসে অতৃপ্ত এক বিকেলে

উড়ন্ত মেঘের আলাপে সমস্ত আক্ষেপ নদী খুঁজে ফেরে
আত্মাহুতি অথবা আবিষ্কার
কোন এক ক্যামফ্লেজে বৃত্ত জুড়তে চায় ভাঙা হাটের বুদ্বুদ।

এত গোলযোগ, উন্মত্ততা জানলার কাচে তীক্ষ্ণ বাধায়
হার মেনে যাবে বুঝলে
বৃষ্টি আঁকার নির্বুদ্ধিতা পেনের দাগে উপহার করে যেতাম অবলীলায়।