ছড়ানো তুলো

দেবাঞ্জন দাস



১.
আমার চাঁদ ফাঁকের দিনে
নৌকাকে বলছি আস্তে চল
নদীকে বলছি আস্তে খাও
শাড়িকে গাছের পিছনে
আর গাছকে শাড়ির পিছনে রেখে
হাত বুলিয়ে বুলিয়ে ছোট করছি
আমার দু’মুঠো দুধ
দ্যাখো বাসন মাজার গন্ধ উঠছে প্রকৃতিতে
গান মুছতে মুছতে
ছড়ানো তুলোর পাখি হচ্ছে বালিশ

২.
আকাশী রঙ বোঝাতে দিলাম আকাশে হাত
ছেলে তখন আকাশ তোলপাড়
তাহলে আপেল খাও
পড়ে যাওয়ার ব্যথা লাল হবে খাতায়

আমরা রঙিন হব বলে সন্তানের মুখ দেখি
শিশুদের পায়ে পায়ে রামধনু ওঠে আকাশে

৩.
হাসতে হাসতে জামবাটি হয়েছে খিদে
ছেলে-মেয়েগুলো রঙ পাড়ছে গাছ থেকে
ওরা নখ ডোবালে বৃষ্টি পড়ে
সবুজের প্রয়োজনে
পাতা ভিড় করে এলো
আমি ভাবলাম গাছের সরলতায় খুশি হবে কবিতা

মাংসের সম্পর্ক হবে আমাদের
নদীর ভিতর থেকে ওর মা বলবে
‘ঘুমোও লক্ষ্মীটি’

এভাবেই নদীর আটকে থাকা ঘরে...
এভাবেই কবিতার আটকে থাকা ঘরে...