জামার অন্তর্বেগ

বিশ্বরূপ বিশ্বাস

জামার অন্তর্বেগ জামা খুলে দিচ্ছে। চামড়ার ক্ষতি নিয়ে বই পড়া যায় না। গলার বকলস বাক্সে বন্দী। লাল চোখ ভূত দ্যাখে। নিষ্পাপ ভূত।

সটানে পুকুর ছ্যেঁচি। আমার ১৪বছর ১৪টা পুকুরে ডুবে আছে। বালতির বাঁধনটি যে খুলে দিতে পারে। তার সব ইতি হ'য়ে। স্মৃতি হ'য়ে গ্যাছে।

দেখলাম উল্লাসে বাদামফুল। চশমায় টাটকা রং আসে তার। যার সিঁদুর রঞ্জিত করে রঙিন সিঁথি। তার চোখে সাধ। ডুমুরের ফুল দ্যাখার।

মাইরি শব্দটি কেটে ব'সিয়ে দিই। বুকের উপরে শব্দ বুক পেতে বসে সারাদিন। সুতরাং মাইরি শব্দটি মঞ্চের উপর। তুমুল লড়াই ক'রে। দুধ দেখে হাসে।

প্রাতঃস্নানের পাপ তেল মাখে ঐ। সূক্ষ্মপাপ ধুয়ে দেয় বিচিত্র জল। একটু মানসজল ফারাক হারাচ্ছে। জলের উপরে ফারাক। জলের নীচেয় ফারাক। এমনি দাঁড়াচ্ছে।

রেওয়াজ ক'মিয়ে আনে। লোমশ যুবতী। ঠোঁটের জাফরি নিয়ে। দিনগোনার নকশা। কেটেকুটে পেটগুলি। ধুলোধুলো হ'য়ে যাচ্ছে। গুঁড়োগুঁড়ো হ'য়ে যাচ্ছে।

না হওয়া পেটের বাচ্চা অনেক। পরিস্থিতির হরিণ বাচ্চা খায়। হাতের পিস্তল মুষড়ে পড়ে। বাঘ দেখতে যায়। আমি হরিণ শিকার করি। শিকার মালুম হয়।।