নৈঃশব্দের কবিতা

মনোজ দে


প্রবেশ করেছে ভাষা। আমাকে বিতর্ক ভেবে

শীর্ণ ত্বক বয়ে যাই
যদিও সে টের পায়নি

প্রস্তর
গেঁথেছি
যেভাবে সময় বুকে নাও

আমায় বিতর্ক ভেবে যতই আড়ালে যাও
প্রিয় ভাষা দেখি আলোকিত হয়


২.
চুলের ভেতর কীভাবে সখ্যতা লুকিয়ে রাখো!

বৃষ্টি। পোশাকে হাজারও দাগ। স্পর্ধা
ভেঙে যাওয়া ধৈর্য বিচলিত করে

বিস্তির্ণ বাগান। কেউ আসে
বিবিধ নির্দেশ তোমায় সুষম করে তোলে


৩.
বেমানান যাকিছু এ পৃথিবীতে
অপার্থিব শূন্যতা। আঙুল

তোমার দেওয়াল জুড়ে
সংক্রমন
জন্ম

আয়ু দাও। আয়ু দাও
পারলে ইরেজার মুছে ফ্যালো


৪.
বাদ্যযন্ত্র পর্যন্ত তোমায় দোসর ভেবেছিলাম

যতদূর চোট। হেঁটে যাওয়া
তোমায় শনাক্ত করে রাজনৈতিক মাকু

আরও দূর। আরও ক্রোশ
উড়ে যাওয়া থেকে চ্যূত
আমাদের তাঁতজন্ম

বিপণন বুকে রোজ সীমানা পেরোয়!