আখড়া

অমিত দে

আখড়া

ভুলে যাই শিকড় বিছিয়ে
আছে বাদাবন
অজ্ঞাত রাখি নিজেকে একসময়,
মসৃন পথে চলে যায় বালক
ফেরারি আলো
গৃহহীন আহ্লাদে কি মেখে নেয় রামধনু ?

আঙুল ছুঁয়েছে শান্তি-কল্যান
অসামান্য ব্যাথা
কতটা মেঘে নেমেছে শ্রাবণ
গৃহস্থ হবে বলে !

রিড ভেঙে রচিত হচ্ছে সহজপাঠ

কোনো বিকেলে পোতা হয় খুঁটি
ভেতরে দুলে ওঠে
আখড়ার দোচালা


সম্পর্ক


দ্বিতীয়বার বলি যাকে
তাই কি নবীন?
পুকুরে যেমন স্তব্ধ বসে থাকে দুপুরবেলা
ততটা দূরত্বে পাখিরঙ হয়েছিলে

সৃষ্টিশীল রিনরিনে বাতাস হয়ে
নিরিবিলি জলে আঁকছো দাগ
যাকে বল পিছুটান
তার ভেতর

এছাড়া হয়তো আর কিছু নেই
নিশানা শেষে জনহীন প্রান্তর
থেকে যায় সম্ভাবনাময়—

ডাকো প্রস্তরভূমি অথবা
ডাকো তাকে পথ