এন্টিকাটার

সামতান রহমান

এন্টিকাটার

অঙ্গে অঙ্গে পাওয়া গেছে ছুরিরসমস্ত
মস্তিষ্কে ছিন্ন ছিন্ন কোপ--

নিষ্পন্নরা অনুমানমুগ্ধ
উদাস খেয়ে পড়ে থাকা ঘর
'বাইর' হয়ে যাচ্ছে উজার বনের জঙ্গল--

মন্দভালো দূরনিকট থেকে কেউ যারা,
দৌড়ে যাচ্ছে, গুঁজন্ত পার্থক্য হাতে;
তারা জরিন! নেবে যেন, সরলরেখার বৃত্ত--

সমস্তর সুত্রকি পাওয়া যাবে,
নিখোঁজেও যে নাই, দেখিয়ে দেই, ধারান্ধ--

স্বভাবসম্ভাবনা লুকিয়ে বাঁচবে? কাটুরিয়া?
এইবার, কাটাঘায়ে ফেলেছি ফিতা
নিজেকে আজ মেরে দেবো, ছুরির বুকে--

নতুন কোন খুন নয়,
এই, অবিকল ষ্টেশন। এখান দিয়ে গেলেই,
'পৃথিবীর যত বুক' থেকে, ব্রেকিং নিউজ হবে--



থিরতি নিজের দিকে যায়

কে যেন বলেছিল উড়ন্ত গাছ-
ওমনি ডালে চড়ে বসে আছে স্থির
নিচে এক জটাবাঞ্ছা পাগল,
প্রকৃতি সামাল করে আছে...

সে-ই তো বলেছিল
রাত্রি হত্যার দায় নিয়ে সূর্য ওঠে,
অালোতে ঢেকে যায় আলামত!
অন্ধমুল, বিপরীতে জ্বলে...

উড়বে গাছের ভেতর থেকে
একটা পুরুষ গাছ বের হয়,
একটা নারী গাছ বের হয়
এবং অনুরূপেরা, এই পথে
নিজের পায়ের ছাপ দেখে
একটা পাগল পাগল হয়ে যায়।

কম্রফাঁদ

অজস্র পাখি এক,
এইখানে বসো, উড়ালের থাকলে
তোমাকে উড়ে যাক।
যে বাসাইগাছ, জন্মে যাচ্ছে
তার ত্রিদিকডালে, তোমার থাকা

পানি খেলে, মরে যাও
বাতাস নিলে, ঝোড়ে যাও
তাকালে, চোখের ভেতর দিয়ে
তীর্থযাত্রীরা যত পাপ ধুয়ে নেয়।

জল ও বাতাস, উপযোগী হতে গেছে
তোমার গূঢ়ত্ত্ব জানা সমযোগ--
একটি সামান্য কথায়,
যে বলবে, তার, বলার বয়স আসন্ন
যে বলছে, তার, মুখ তৈরি প্রায় শেষ।

অনেক ভাষা, চেয়ে আছে
লুপ্তভাষা কত, তাদের কথাও হবে,
নীরবের হস্তলিপির জন্য বেশধ্বনিবিদ
সাদা পৃষ্ঠা মুছে নিয়েছে রঙে।