প্রাণ

গৌরব চক্রবর্তী


আড়ি

এরপর... ভাঙন লিখবে চোখ
নিয়তির দিকে ঘুরে যাওয়া সূর্যাস্তটুকু ছলকে উঠতে চায়
আমার পর্যাপ্ত নাম তোমার বরাদ্দে কখনও হাত লাগাবে না
বিষাদের মতো ক্যানভাস চাই একটা এবার
দুপশলা মন এক মানসিক বিরতির দিকে ধাবমান

আমাকে সন্ন্যাস দাও হে!
কবুল করো, এ জন্মে আর মুখ দেখাবে না কোনোদিন



প্রাণ

শোক নয়, তোমায় ভাবলে ক্ষমাপ্রবণ লাগে নিজেকে
একটি আলোর পাশে দাঁড়িয়ে নিজের নাব্যতা টের পাও?
বোঝো, কোন রঙে তোমার স্বপ্ন ঘনিয়ে আসছে?
উচ্চতল থেকে কোনও গভীর, অনাস্বাদিত ধ্বনির ভারে
এ স্পর্শ কতোখানি ন্যুব্জ?
কতটা ওপরে উঠতে হলে কতোখানি তলিয়ে যেতে হয়?

শোক নয়, এবারে ক্ষমাও নয় তবে আর
শীতের শিশিরের কাছে এইবার হাঁটু-গেঁড়ে থিতু হব, ভাবি
একটা ঝাপটে ওঠা ডানা আমার সূর্যাস্ত তছনছ করে দিয়ে যাক
গুঞ্জন সমেত ঝরে যাক বসন্তমঞ্জরী
আমার আনত আয়ুর কাছে মাথা পেতে
তবে তুমি একবার বোসো





ট্যাটু

মন্ত্রের স্বভাবে আমি খুলে আসি--- স্পর্শভূক
কিছু কান্না... আমার প্রত্যয়
তবে এই আঙুলের ঘুমন্ত প্রান্তে থাক একরতি আলো
এই অগাধ পশলা মাখা বৃষ্টির ওম, বিস্ময়ের ছলাৎ
গোধূলি প্রস্তুত রাখো, হাতে রাখো সম্মোহিত তাপ
নিজেকেই ধীর লয়ে শব্দে শব্দে অনুবাদ করো
শরীরে আসন্ন মেঘ, স্মৃতি পড়ে থাকে ছেঁড়া খামে

উড়েছ তড়াক--- ওড়ো ওড়ো, বলো সাদা
শিখা দাও শাঁখে--- ফুঁ... দাও প্রান্তে বিশ্রাম
সন্ধ্যাপ্রসূতি! রিপু! চুম্বনপ্রিয় স্বাদু জল
নিয়ত উড়ান পারো, নিজনামে শান দাও বেশি