অল কায়দা

সুদীপ বিশ্বাস


অল কায়দা ০০১

সুপ্তিকালীন যুদ্ধ হরিত ব্যাঞ্জনা লইয়া এযাবতকাল নগ্নতা ঢাকিয়াছে
অত এব এই খামারের বসতবাটি শামুকের খালকেটে দেহত্যাগ করিবে
সহস্র পরিজন আমার অখিল ভুবন আলোকিত করিতে করিতে
মানস ভ্রমণ সারিলেন
এই আনন্দঘন পাতালঘর তথাপি উদ্বেলিত হইতে থাকে
প্রতি দুরপনেয় ছবি কথাচিহ্ন রেখে গেছে
ইহাই স্বাভাবিক, ঢেউ উঠছে
স্থলপথ পদতলে ভুবনকানা দইবড়া সন্দেশ পরিবেশন করছে
পাঠ্য বই একদল বাধ্যতামুলক অলকায়দা ব্যাতিত আর কিছু নয়


অল কায়দা ০০২
মুদ্রাসর্বস্ব যন্ত্রণা অনপনেয় ঢেউ তুলিতেছে
সমস্ত কলহ দ্বেষ ফিসফাস উপনিবেশিক বিচার সভায় উল্কি দাগ নিরমান বইকাল সমন্ধ রচনা করিতেছে
করণ লতিকার নইশব্দে আমার পাসওয়ার্ড ছবির মতো আলস্যজনক আখরধাম
প্রসব মুহুরতে রহস্যময়,
সন্ধ্যা নামিল
আমি মৃত্যুকে তুচ্ছরূপে
যোজন পথ পার করিলাম
মৃত্যুকে পুজা করি আমরা




যজনাগ্নি
কিট নাশক দোয়াতের দাক্ষায়ণী প্রহরির শাবক বুঝি বিনাশের ফল
কিছু জনমত
সত্য বিনাশের ফল, শাশ্বত তবু
এই প্রকাশ, জনপদ
ভিন্নকল্পে বানভাসি মাটি গর্ভ হীন
খতম লিখছে শুধু স্ম্রিতি চিহ্নে আগুনের নাম
আমাকে উজার শুন্য কর তুই
আমাকে অগ্নিকোণ ঘরের বাহির কর তুই
ঘেটে ছেনে আগুন বরন কর উত্তরাধুনিক




অভিমুখ

ঈশ্বরের ভিতর অনেক নদী আছে
নদীর ভিতর অনেক ঈশ্বর
দেহের ভিতর অনেক নদী বহমান
নদীর ভিতর কত ঘর
জানালার ভিতর নেই, বাহিরে অনন্ত রোদ
রোদের ভিতর আরো জানালা,কপাট
ঈশ্বরের ভিতর নদী, নদীর ভিতর ঘর
ঘরের ভিতর জানালা, ঘুলঘুলি
ঘরের ভিতর দেহ,বৃক্ষ, লতা,পোশাক
দেহের অভ্যন্তরে ঈশ্বর অনুভব
নদীর মতো বহমান দেহ
দেহের গভীরে মূর্তিমান বোধ
অনেক রোদ, অনেক নদী
অনেক জানালা, ঘর পেরিয়ে
নদী বেগে ধায় ঈশ্বর অভিমুখে।