অনধিকার প্রবেশ

রাজেশ চট্টোপাধ্যায়

অনধিকার প্রবেশ
১।
আলোর রক্ত আমার বুকে
ক্ষত সেলাই করার জন্য সূচ হাতে দাঁড়িয়েছ
আশা দিয়ে সেলাই করা হল বিক্ষত বুক
যখন পারবে না ভাবছ
পারা আর না-পারা দুটোই সমান ভাবে অস্তিত্বহীন

সমানের মাঝে তির্যক এঁকে
না বলতে চাইছ খুব
আর গোপন হয়ে প্রবেশ ঘুমপথে
আঁতুড় জেগে যাচ্ছে
চুড়ি ভেঙে ফেলার শব্দে

২।
তারপর শূন্যতা এলে
প্রত্যাখ্যান
যা কিছু অস্তিত্বহীন তাদের বীজ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন
চিহ্ন বদলে দিলে
অস্তিত্বের কল্পনায় অস্তিত্বহীনতার বীজ
যা কিছু ভাবি দুই মেরুতে থাকে
মাঝখান টা শূন্য!!
ওই শূন্য জায়গায় যাদের বাস
তারা মুছে দিয়েছে ভগ্নাংশের হর