চিতোরগড়ের আত্মকথা অথবা সোনালি উৎসব রহস্য

সূর্য্যমুখী



আসন্ন রক্তপ্রবাহে জেগে থাকে আর্তনাদের ঘ্রাণ
কান পাতো নীলাভ হৃৎপিণ্ডে,
উদরে যার লালিত কোমল মৃত্যুর সন্তান।


বিলুপ্ত এক পাখি গল্প শোনায়; শোনায় টান টান শিরার ঘ্রাণ।
চোরকাঁটায় বিঁধে থাকে দোতলার ফ্ল্যাটবাড়ি, দেশভাগ-
ডোডো পাখির নামে তুলে রাখা বিরামহীন অঘ্রাণ।


রুদ্ধ করে দেখো চিৎকার-
যদি খুঁজে না পাও বিদীর্ণ হৃৎপিণ্ড
আমি জারি রাখব এই বিহ্বল রক্তক্ষরণ।


ইচ্ছে ছিল শহরজুড়ে বুনে দেব কাঙ্ক্ষিত লেবুফুল
শিয়রে জাগিয়ে রেখে মৃত্যুর বাথান-
আমিও বসে রইবো হাতে নিয়ে অনাঘ্রাতা বকুল।




মুখোশের নিলাম শেষে বাড়ি ফেরে হারানো বকুল
বাড়ি ফেরে ব্যাকরণ- জীবনের বোন- যমুনার ভাঙ্গন;
দেখে মানুষের নামে সব ওঁত পাতা রুপালি শকুন।


ঈষৎ নীল হয়ে গেলে মৃত্যুর দুপুর
জেনে যায় পুরাতন ভিটের একলা উনুন- ভাঁজ করা শহর;
কেউ কেউ বেঁচে থাকে বুকে নিয়ে চিতোরের গড়!