ফ্রিকোয়েন্স

উল্কা

গ্রহণ

ভাল্লুকের জ্বর এলে
বালি ঘড়ির ঝুরঝুরে শব্দ
উষ্ণতা ঢেকে রাখে...

তোমার চুরি করা প্রেমঝাঁপির
উপচানো কবিতায় পছন্দ প্রমাণ স্বরূপ
গলা ভেজানো বক্ররেখা-
ছাড়িয়ে রাখলাম স্টিকারের মতো

গেল মকরসংক্রান্তির
তেরছা সুষুম্না স্নায়ু লঙ্ঘন পূর্বক
বেমানান আঙিনায়
টুপটাপ খসে পড়ার আগে
আমায় ডেকো না ছদ্মবেশ

পান পাত্রের ডগায় জমা নুন আর সমুদ্রের ঢেউগুলো
দুঃস্বপ্নের মতো ঢুকে পড়ছে ককপিটে
দুচোখের পাতায় পলাশী ধারণ করে
রাক্ষসীর মতো হাহাকার চেটে তুলছি সরল রেখায়

গোপন প্রতিবন্ধকতার ছাল ছাড়ানো নাভিকেন্দ্রে ঘুরতে ঘুরতে
যখন নিম্ন চাপ বলয়ে সতীন মাফিক কালবৈশাখীর জন্ম হয়
তখন উল্কা পাতের অতলে সবরমতী খুঁড়ে
এক বালতি জল ঢেলে দিই
আর তাতে একটা আছড়ে পড়া উড়ো জাহাজ ভাসিয়ে
মনে করি ওটাই শেষ পরিণতি।


ফ্রিকোয়েন্স

আমাদের আদিম হিসেবে
এখনও রাতের পৌনে বারোটায়
বারুদের পরমাণু
লম্বা শহীদ মিনারের ছায়া ঘিরে ধরে

চাদরের তলদেশ থেকে
পাকিস্তান বেরিয়ে আসে
ছেঁকার উল্লম্ব কম্পন

এ পাড়ায় কোনো চর্মরোগ বিশেষ