খুলনা টু ঢাকা

ইন্দজিৎ দত্ত

খুলনা টু ঢাকা (১)

রাস্তা। এগিয়ে যেতে যেতে দু'দিকে বিনুনী

বাঁধছিলে। কে বললো ছিলে না আর ছিলে ব'লেই
ড্রপ খেলো রাস্তা। বাঁধও। সমস্তটাই ঘুমে
ডুব ডুব

সেতার শিখছি, সাঁতারও

বাসটাও ধীরে ধীরে অজস্র। শৌখিন ডিবেট
তর্কের মত এগোচ্ছে

আমরা গোয়ালন্দ পৌছালাম। আওগে যব তুম সাজনা


রাস্তার কি কোন আপনজন

আছে নাকি সেও আমি একসাথেই ডাকলো আয় তবে
সামান্য ফেরীতেই যেভাবে বারিষ্ কুমারী আর
অপাপবিদ্ধা তুমি তো ছিলেই

নাম কি শুধুই নামমাত্র টেরাকোটা বা বাংলা অনার্স
ভীষণ ভরছে এতোটাই যে

পাখিরা পাখি হলো। না কি হলোনা


এখন তার ততটা মনে নেই বুঝি
যেভাবে নদী ছিলো গাছ পাতা মেঘবিদ্ধ হয়ে আর
আমি তো অনুকরণেই

খুঁজেছি। শব্দ হয়েছে। স্তব্ধের ক্রিয়াপদ নাকি ডামি তোমার?
আর গাবতলী .......

সাঁতরাগাছি শপিং মলেই। বেরোতে পারিনি তাই


ব্রীজে ব্রীজে লেগে আছে রিদমের ভান

বৃষ্টি দোসর হতো হয়তো, আগে জানলে। শালবনি ঝরিয়ে


পড়তাম না, তুমি না বললেই আগে








খুলনা টু ঢাকা (২)

একটু সরে সরে
ঢেকে দিলাম তথাগত আর তুমি এগিয়ে যাচ্ছো জোরে

বুকের ঝাকুনিতে এক ঝাঁক পায়রা
আমি সাততলায় নীচে সেইসব অজস্র জাহেদ
ছিলো না তবুও

যেমন তুমি ভেসে আছো দারুচিনি দ্বীপে
একা আমি রাত্রিকরিডোর
বিষিয়ে দিলাম

মিশিয়ে আর মারজুক ভাই

কবিতা হলো রাত বারোটা, ঢাকা থেকে
তুমি আমি আমরা সবাই কোন শহুরে সরাইখানা আর
এতোটা নিরক্ষর বসন্তকাল

যেভাবে বৃষ্টি আসে ছপ্ ছপ্ ছপ্ ছপ্ সুর নেই
রঙচটা জিনস তার আগে আগে

আচ্ছেদিন নিয়ে আমরা কোন কথা বলিনি সে রাতে শুধু

তোমার না, বৃষ্টির বয়স নিয়ে চিন্তা হচ্ছিলো

খুলনা টু ঢাকা (৩)

তারপর একটা ভোরবেলা
সূর্য যেভাবে ভিজিয়ে দেয় প্রাত্যহিক বারান্দা
আর সাততলায় আমি

আরও অজস্র গোল্ডলীফ নিয়ে কবিতায় অথচ
এই শহরে প্রেমিকা নেই এই নামের রিক্সা একটিও
স্বচ্ছতা ছিলো না তাই আমারও কোনো

ভাবছিলাম কেউ ডাকুক কেউ তো বা
কোনো ডাহুক ঠুকরে দিয়ে যাক পয়গম্বর সিলিং
তখনই রোদ্দুর

রাদ এলো। আহমেদ না। শুধুই
রাদ আর রাদসমগ্র নীচে থেকে রিংটোন যেভাবে বাজে

বাজলো

আমি লাল চা'য়ে দেখেছি সে মিথের সেন্সর

রাদ ভালো। ভালোই

চলা'কে বলেছিলো, রোকো রোকো
ফার্মগেট। এসি বাস। আর উঠলাম। মহাখালি

ময়মনসিংহ যাইনি। বাস যেতো। আমি নেমে পড়লাম
হোতাপাড়ায়। সে এলো

এসেছিলো

দ্বিধাও। হুমায়ন, আহমেদ হলো। শতাব্দীপ্রাচীন মেজবউ
ফিরে গ্যালো নীড়ে। আমিও। শুধু চাঁদ
আর মারজুক ভাই

জানতো, চাঁদ উঠেছে। ফুল ফোটেনি তো কি
















খুলনা টু ঢাকা (৪)
--------------------------------
বাকিটা ডিসকভারি ছুঁয়ে গ্যালো
#
আমি নিরুপায় তবু। দ্বীপের মতন টিপ
একটা বে-সাহারা, থেমেছিলে ততটাই ছুঁয়ে নিতে চেয়ে
যেভাবে অহল্যা
#
খুব রোদ আর ফিরে যাওয়া মৈত্রী এক্সপ্রেস
#
আর বলিনি চৈত্রমাস, সেদিনও। খোলা ছিলো জানলাটা

হাওয়া এলো। গ্যালো।
আমরা সমস্বরে যাওয়া'কে যাওয়া বললাম
পথ কে পাথেয়
#
রোদের ঝাপটা নিয়ে সেই কথাতেই, ফিরছি তো

রোদ থেকে রোদেই আর
যখন রুহ্ খুঁজে পেয়ে অন্ধকারে কেউ
পিছলে যায়
#
আলোর তেমনই যা কিছু হ্রস্ব ই-কার আর কাদম্বরী
কেন যে মরতে বসেছিলো
#
বনগাঁ হয়তোবা জানে কিংবা বিভূতিভুষণ হল্ট

এই মেঘলামেঘের দিনে
ট্রেনটির কোন শেষ নেই যেখানে
#
চারপাশ ঘুমিয়ে থাকে পরজন্মের মত শিস্ দ্যায়

Indrajit Dutta
28 Tagore Castle Street KOL 6
Mob 9830964530