আয়না

রত্নদীপা দে ঘোষ


আয়না হোক। আরেকটু বেশি কোরে আয়না হোক।
তারপর মনে করবো তোমাকে। নতুন সূচীপত্র। জলবাজনা।
সেবারে কিন্তু খুব। আমরা। তাই না ?

এবার কিন্তু ভিজবো। তারস্বরে।
গাছেরা টানবে হাত ধরে। সুখটান। জোনাকির ডিম ফেটে বেরোবে চাঁদের ছানা। আমরা সেই শিশুটির বাপ-মা। হাট্টিমাটিম ছড়িয়ে। আয়নারা।
নাচবে পা। তুমি বলবে ... রাই কোথায়? রাইরোগই বা কিসের ?

হেসে উঠবো। কেঁদে. কেউ পড়বে না জেনেও। শিশুটি হাততালি লিখবে খুব। একটি প্রার্থনাগৃহ। রাত জাগতে হবে জেনে। ভোর ভোর উঠবে। জাতকরাশির আজান।


শুভান আল্লার হোয়াইট যারা পড়ে এবং পড়ায়..। তাদের মিসচিফ।
যাদের হাতে আঙুল ছোঁয়ালে। ট্রিগার। আভার ভেতর লটকে থাকা।
ঘুরন্ত সুপারনোভার দিকে তাকিয়ে। বাতাস ঝাঁজরা। দমকার পা গেঁথে।
ফায়ারিং স্কোয়াডের মোড়। বাম্পারের রোদড্রাগন। মাথাউঁচু চক্কর।
আর এইসবের মধ্যেই। পোয়াতি পৃথিবী। পেটসহ।

খোদা যদি মঞ্জুর করে। আমি ওর প্রেমে পড়বো। খুল্লমখুল্লা।

১৫

আয়নায়।
হাতের কয়েকটি রক্তবরণ। কল্পবিবাহ। বাসরগুলি পরতে পরতে। পক্ষীমানুষ। কারা যেন উপহার করেছিল একদায়। মদূরবিলীন ফিরতি। কখন কোনখানে। সপরিবার। আখতারিপাখির মতো।
তা। দিতে দিতে সেই বেগম। রম্ভাময়ূর। শুনছ। গা। ছমছম।
অগ্নিকণা ? আলগা নাচভেসে। অপ্সরীর বিপরীতে এখন ?
সমুদ্র-অসুখ। আমাকে দেখাবো বলেই। কত কিসিমের। ঝঞ্ঝাসুখ। ফুঁসে ওঠা তিনকূল।
সামাল সামাল। আমি জিতে যাই। মাত্র দশ সেকেন্ডের একটি আয়না। সেও। চায় না।