বিভীষণ চোখ

অর্ঘ্য দত্ত

বিভীষণ চোখ

ইচ্ছে করে গোড়ালিতে পিষে ফেলি তোকে

নষ্টপুজোর রক্ত ও পুঁজ মেখে এ চোখ দেখেছিল
পীতাভ সিঁড়ির নিচে প্রিয় মাস্টারমশাই
ঠিকে ঝি'র আদুড় বুকে খুঁজছে মেদুর সৌরভ

আজানুলম্বিত এলো চুল নিয়ে
বেগুনি সুড়ঙ্গে নেমে যাওয়ার আগে
এই চোখে খুকুপিসি মেরেছিল অক্ষয় বাণ

এই চোখে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে
কেরানি বাবার মধ্যরাতে থুতু দিয়ে গোনা
নিরুপায় শ্যামবর্ণ অবৈধ সাজশ

সমস্ত ঈশ্বরের পিঠে ছুরি মেরেছিস তুই...
আয়, আজ তোকে খুন করি, বিভীষণ চোখ।

....................


কোজাগরী

অন্ধকার ঘন হলে সঙ্গী খোঁজে জাতীয় সড়ক
বন্ধ্যা এ দিগন্ত ফুঁড়ে উঠে আসে কেলো-কুষ্টি চাঁদ

গোলাপি পলিয়েস্টার, ক্ষয়া মাই, খড়িওঠা ঠোঁট
রাহুগ্রস্ত হাড়মাসে দাউ দাউ পূর্ণিমার খিদে

লক্ষ্মীর বাহন কিছু নিশাচর ট্রাক আসে যায়
সড়ক যোজনা হাসে প্লাস্টিকের ফুল গুঁজে চুলে

নৈবেদ্য দু'হাতে নিয়ে ছড়িয়ে দেয় কানা কিছু কড়ি
দিনে আধপেটা আর রাত্রে আসে নিত্য কোজাগরী।