শঙ্খ লাগা

সুপ্রভাত মেট্যা

শঙ্খ লাগা
সকালে শীতের উপর
রোদ পড়ে হালকা হয়ে আসছে পাতা ।
শুকনো মুখের শিশির ।
অনতিদূর অন্ধকারত্বের দূরে তার
ফেলে আসা মধুর সঙ্গিনী
শঙ্খ লাগা...................


ধুলো উড়ছে জেগে একটু একটু ।
গল্প আর কবিতা নিয়ে
বসে পড়েছে ছেলেটি ,মাদুরে দাওয়ায় ।
জীবনের দূর দূরান্তের খবর
নিয়ে ফিরে আসছে দু’মুখো কাগজ ।
ক্রমশ চা ও সিগারেটের ধোঁয়ায়
মিশে যাচ্ছে আমাদের মুখের হাওয়া ।

প্রসাদ
প্রবেশদ্বারের আগে
প্রসন্ন মাথা ঠুকে গৃহস্থ মায়েরা।
বলদ ঘন্টার ঢং ,কানে বাজে;
বাড়ি ফেরে ধুলোর লোকেরা,হলুদ রোদ
তাদের গায়ের রং,চোখে-মুখে ঈশ্বর
কী বিশ্বস্ত-বিরল হয়ে আছে বিকেলের শেষে ।

গর্ভগৃহের ধবনি,
গম্ভীর উঠে আসে মাঠ থেকে;যেন
দূরের মন্দিরালয়ে কোনও পাখির উড়ান,প্রথাসিদ্ধ প্রার্থনার শেষে স্থির, অচনচল,
প্রনামের সিঁড়ি ভেঙে নেমে আসে গৃহস্থ সেবায়।

এই প্রশান্তি টুকু শুধু উঠোনের দীপ জানে;
গোধূলি আবির মেখে গোলাভরা ধান ,
জানে পরিচছন ন মায়ের দুই হাত আর মাটির সরলতা;কীভাবে নিজেকে উজাড় করে
আঁকড়ে রয়েছে সে নুন,দুঃখ ,শিব,সন্তান
আর শ স্য ভরা গ্রামের প্রহর!