কয়েদনামা

শৌভিক দত্ত

মেহফিল

উৎসব থেকে দূরে
এইসব অনির্ভর ওঠাপড়া
আনন্দেরও ধারালো থাকে
নদীগামীতা হয় সকাল সকাল
যতোদিন চোখে লেখা গাছ
আর আশ্চর্য্য ক্ষমা
ঝড়বৃষ্টি হলে মুখোমুখি বাদামী ফেরায়
ছলাৎ বাজে না সেসময়
ঘুড়িদের দরজা পড়তে ......

পুংযাম
ঠাণ্ডা উসকে দিলে বাঁশী নেই
সেলাইফেরত এই অজস্র
তালমিলে চোখ গেঁথে যায়
মনকেমন নরমে
সিঁড়িকে প্রশ্ন পাঠাও শীতের
অফুরান কোনও নদী
নাম লিখতে নেই বিকেলের
দাঁড়টানা আমিতে


কয়েদনামা
ছন্নতা ফিরছে নিখুঁত দানায়
তার গণিতভাব
ফালা হচ্ছে কাঠদুপুরের আলো
জোনাকির
শোবার ঘরে একটা সার্কাস
একটা ঘোড়াচাপা পাতাল
ছাই আসছে না এপর্য্যন্ত
এই সাফসুতরো কয়েদনামায়
মোজা ব্যবহারে
প্রশংসা ভাসছে সারাক্ষণ
অথবা
খোসা ছাড়াই বাতাস সেলাই হচ্ছে ......।


ঠিকানা
অজস্র জলোয়া বাচ্চারা ভেসে উঠছে
তেমন স্বচ্ছ নয়
ছুটীর পর খেলা খেলা ভাব
জমছে ঠিকানা বাঁধানো মাঠ
রাস্তার তুমুলে
নদীসেলাই একবারই
পাথরের বয়স বেড়েছে অনেকটা
সন্ধ্যার জামানতে


স্কেচ
স্কেচ ভেঙে যে কোজাগরী
তাতে এইমাত্র দাগ
সাঁতার পোষণ ঘর
ঘুরে এলে
ক্রমশঃ নরম ঝড়েরা
মিছরিবন্দী সেলাই চলে যাচ্ছে
আর আভিজাত্য
খামোশ কিছু ব্যালকনির আঁকিবুঁকি
পড়ন্ত
তবু পড়ছে না তোমায় ......