মারিনা আব্রাহামোভিচঃ দেখার বিপরীত প্রতিপাদ্য

রমিত দে

‘দেখা’কে আপনি দুভাবে দেখতে পারেন। একটা দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে আর অন্যটা নিজের দিকে তাকিয়ে। এখন এই যে ভিস্যুয়াল টেক্সট তার মধ্যে কোথায় আপনি? কতটুকু আপনি সেটাই প্রশ্ন। যা দেখা হল আর যিনি দেখলেন এর মাঝে কিন্তু অনন্ত সম্ভাবনা। আপনি তার (অবজেক্ট) দিকে তাকিয়ে আছেন। সে আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। একে অন্যের দিকে তাকিয়ে আছেন। চারপাশের মানুষ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। যারা তাকাননি তারা পর্যবেক্ষকের স্মৃতি ধারন করে তাকিয়ে আছেন।এমন হাজার সম্ভাবনা হতে পারে একটা দেখার। কিন্তু যখন একজন শিল্পী নিজেই বলে বসেন ‘আই এম এন অব্জেক্ট’ ! তখন প্রোটাগনিস্ট হয়ে ওঠেন শিল্পী এবং তার টেক্সটের ভূখন্ড কেবলে একটি আত্মলিপি থেকে বেরিয়ে হয়ে ওঠে একটি সময়লিপি। বিশিষ্ট দাদায়িস্ট কবি হুগো বল বলেন-“Art is not an end in itself. But it is an opportunity for the true perception and criticism of the time we live in”- এই ‘সময়’কেই যদি পার্সপেক্টিভ করা যায় এই সময়কেই যদি অ্যাপিয়ারেন্স দেওয়া যায় এই সময়কেই যদি হিউম্যান কন্ডিশন দেওয়া যায় এবং এই সময়ের মধ্যেই যদি দেখার সমস্ত ভ্যানিশিং পয়েন্টগুলোকে কুড়িয়ে বাড়িয়ে জড়ো করা হয় তবে কি হয়? তবে শিল্প ব্যক্তি মালিকানার বাইরে বেরিয়ে আসে। শিল্পী যদি তার শরীরকে দৃশ্যমান জগতের অংশ করে তোলেন তবে কি হাতড়ে হাতড়ে কোনও কিছুকে স্পর্শ করার চেয়ে দেখা হয়ে ওঠে আরও বেশি আক্ষরিক? ইমেজের অবিকলতা কি লুক আর গেইজের মধ্যেকার ফাঁক ভরাট করে তোলে?
এসবই সম্ভাবনার কথা ।কিন্তু একজন শিল্পী যখন ইমেজকে প্রতিনিধিত্ব করাতে চাইছেন নিজের সাথে আর নিজেকে বাস্তবের সাথে তখন এই পারফর্মেন্স আর্ট হয়ে ওঠে দৃশ্যের সাথে দর্শকের এক নির্ভরযোগ্য গ্রন্থনা। ১৯৭৪ এ সার্বিয়ান পারফর্মিং আর্টিস্ট মারিনা আব্রাহামোভিচ (যাকে পারফর্মিং আর্টের প্রধান তালিকায় রাখা হয়) একটা ভয়ংকর পরীক্ষা করেছিলেন।বেলগ্রেদের এক গ্যালারীতে উপস্থিত দর্শকের সামনে টেবিলে ৭২ রকমের জিনিস রাখেন এবং যেকোনো উপায়ে তার নিজের দেহে সেগুলোর উপযুক্ত ব্যবহারের আমন্ত্রন জানান। উপকরনগুলোর মধ্যে কিছু ছিল বেশ নরম আকারের যেমন পালক বা জলপাই তেল বা গোলাপ ফুল। কিন্তু আলাপের এসব কোমল স্তর পেরিয়ে এরপর আসে একজন শিল্পীর শৈল্পিক নৈর্ব্যক্তিকতা পেরিয়ে নিজেকে পুরোপুরি বাস্তবের অংশ করে ফেলা্র সময়, যেখানে আব্রাহামোভিচ উপস্থির দর্শকদের উদ্দেশ্যে বলে ওঠেন-“ আমার একটা পিস্তল আছে টেবিলে রাখা এবং তা বুলেট ভরা-এবং আমার এই প্রিয় আমি মারা যাওয়ার জন্যও প্রস্তুত ছিলাম”। ছ ঘন্টার শেষে মারিনা ফিরে যান চুর্ণবিচূর্ণ কিন্তু জীবিত এবং রক্ত কান্নার সাথে শিল্পীর এই ফিরে আসা কিন্তু দেখা সম্পর্কে একটা নতুন দৃষ্টিকোণ ছেড়ে যায় আমাদের কাছে। আর তা হল দৃশ্যের ভেতর দিয়ে এই যে নিজেকে ভিকটম করা তা কোথাও যেন একজন দর্শককে প্যাসিভ ভিউয়ারশিপ থেকে বের করে নিয়ে আসে প্রেজেন্স আর পার্সেপশনের অর্ন্তদ্বন্ধে। প্রত্যেক ইমেজ ই তো এক ধরনের দেখাকে ধারণ করে কিন্তু শিল্পী যখন পুনরুৎপাদন যেন দৃষ্টিগোচরতা দেন তখন। মারিনার কথায় পাবলিক আর পারফর্মার কেবল কমপ্লিমেন্টারি নয় বরং ইনসেপারেবল একটা বিষয়।
এখানেই হয়ত ছবির মধ্যে দিয়ে বা শব্দের মধ্যে দিয়ে গড়ে ওঠা জগতটিতে লিমিট অফ এক্সপ্রেশন আবার প্রশ্ন তোলে সত্যিই কি প্রশ্নাতীত বাস্তবতার মুখোমুখি সে করতে পারে একজন দর্শককে? প্রশ্ন তোলে একজন মানুষের স্মৃতি আর তার নিজস্ব পরিচয় নিজস্ব সময় পারস্পরিকভাবে কতটা সম্পর্কিত? ভিস্যুয়াল প্লেজার থেকে যদি লক্ষ্যবস্তুটিকে বের করে আনা যায় তবে সে আর কেবল সুখের পুঁজি থাকেনা বা দর্শককে পূর্বধারনার অনুরণনসহ অস্পষ্ট করে রাখেনা। আব্রাহামোভিচকে একই প্রশ্ন করা হয়েছিল , উত্তরে তিনি বলেছিলেন-
দেখুন, স্মৃতি ব্যপারটাই কিন্তু বেশ জটিল,তাকে সীমার মধ্যে ধরে বেঁধে রাখতে পারবেন না। একজন অনায়াসেই যেমন অনেক দূরের অনেক পুরোনো কিছুকে মনে ধরে রাখতে পারে তেমনি খুব সহজ়ে ভুলেও যেতে পারে যা সে নিজের মধ্যে বয়ে বেড়াতে চাইছে না। স্মৃতিকে মুছে ফেলা যায়, ভেঙে ভেঙে নতুনভাবে সাজিয়ে নেওয়া যায়।অন্তত আমি তো আমার সাথে তাই করি। আমার কাজটাই হচ্ছে আমি যে আবহে জল বাতাসে পার্থিব পরিসরে বেড়ে উঠেছি আর আজ যেখানে কাজ করছি এই দুইয়ের মধ্যে নিজের শৈশব নিজের স্মৃতিকে ছুটিয়ে বেড়ানো, মিশিয়ে দেওয়া। আমার উদ্দেশ্যই অনুভবের এই মনতাজ তৈরী করা ফলে স্মৃতিকে কখনই আমি নিরেট রাখতে চাইনা , বলা ভাল আজ আমি আমার নিজস্ব সংস্কৃতির জগতে যে অসীমকে ধরতে চাইছি সেখানে জন্মলগ্ন থেকে বেঁধে দেওয়া স্মৃতির চাপে আমি ধ্বস্ত হতে চাইনা বরং তাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিতে চেয়েছি নিজের মত করে যাতে সে অন্তহীন এক ব্যক্তিসত্তার আধেয় হয়ে উঠতে পারে। বব উইলসনের সাথে অনুষ্ঠানে যার নাম ছিল ‘ডেথ এন্ড লাইফ অফ মারিয়া আব্রাহোমভিচ’ সেখানে আমার ৬২ বছরের পুরো জীবনটার প্রতিটা মনে থাকা ঘটনাকে প্রতিটা বছরকে এক একটা বাক্যে ধরতে চেয়েছি। যেমন-
১৯৪৬-জন্ম
১৯৪৮-আমার হাঁটতে না চাওয়া
১৯৫১-লুকিয়ে দেখতাম কিভাবে বাবা সাথে রিভালভার নিয়ে শুতো।
১৯৫২- মায়ের ওয়াশিং মেশিং কেনা
১৯৫৯-বাবা মা ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। অন্তহীন শূন্যে ঝাঁপ দেওয়া অথচ শূন্যে না পৌঁছোনোর মত কিছু একটা যেন!
১৯৬১- স্বপ্নগুলোকে আঁকতে শুরু করলাম; নিজের ছবিটা শেষ হওয়ার আগে যেন আরও কিছু ছবি
১৯৯৫- আয়না মোছার কিছু স্মৃতি ঘোরাঘুরি করে পুরোনো স্মৃতিদৃশ্যের দিকে
১৯৯৬- ঘর মুছেছিলাম। তালা চাবি খুলে পুরোনো সব ছবি দেওয়াল থেকে নামিয়ে
স্মৃতিকে বারবার আমি এভাবেই রি-ড্রয়িং করতে চেয়েছি। যে অভিজ্ঞতা থেকে তাদের পথ তৈরি হয়েছে সেই পথেই উপলব্ধি আর অনুভবের পরত চাপিয়েছি। এবং সময়কে আমি নির্দিষ্ট করে দিতে চাই কিন্তু তা স্মৃতি দিয়ে নয় বরং সময় দিয়ে।“- নিউ ইয়র্কের শন কেলি গ্যালারিতে "দ্য হাউস অফ দ্য হোস্ট উইথ দ্য ওশেন ভিউ" এ বারো দিন ধরে অনুষ্ঠিত হয় মারিনার পারফর্মিং আর্ট, যে সময় মারিনা প্রতিদিন ২4 ঘণ্টাই গ্যালারিতে থাকতেন, কিছুই খাবেন না খালি জল । গ্যালারি খোলার সময় দেখা যেত একটা দর্শক পরিবেষ্টিত বড় প্ল্যাটফর্মের চারপাশের প্রাচীর থেকে বেরিয়ে আসেন এবং একটি বেডরুম, বাথরুম এবং বসার রুম তার মধ্যে কক্ষের কাঠামোর আকারে বিভক্ত।প্রতিটি এলাকা শিল্পী দ্বারা পরিকল্পিত মৌলিক কাঠের আসবাবপত্র দিয়ে তৈরি একটা বিছানা, একটা টেবিল, একটা চেয়ার, একটা ঝরনা । গ্যালারিতে দর্শকরা মারিনাকে দেখেছেন যে সে ঘুমিয়েছে, জেগেছেন ,প্রস্রাব করেছেন, জল পান করেছেন এবং চিন্তায় বসে আছে্ন। পারফরম্যান্সের প্রতিটি দিন উলায়ের মহাকাব্য নাট্সিয়াস ক্রসিং এর মত শিল্পী বিভিন্ন রঙের কাপড় পরতেন মারিয়া। অনেকেই হয়ত ফেমিনিস্ট আর্টিস্ট হিসেবে মারিনা আব্রাহামোভিচের মূল্যায়ণ করবেন কিন্তু মনে হয় তিনি হলেন প্রাচীরহীন এক শিল্পীর উদাহরণ যিনি শিল্পকে একক মালিকানায় আটকে রাখতে চাননি এবং ইমেজকে শিল্পীর মিথ্যে আরোপের থেকে মানুষের সত্যির কাছে হয়ত পৌঁছে দেবার এই ছিল সহজ পথ যেখানে দর্শক একটা নির্দিষ্ট সময়্বে নির্দিষ্ট ইমেজের দিকে চেয়ে থাকে এবং চিনে নিতে পারে এক নিমেষেই।

চোখ থেকে যতদূরে যাবে বস্তু, তত সে ছোট আর অস্পষ্ট হতে থাকবে । তার চেতনার পরিসর বাড়লেও সে হারাবে তার নিজস্ব পরিচয়। ফলে মারিনা দৃশ্যের এককত্বকে খুঁজে পেতেই হয়ত বাজি রেখেছেন নিজস্ব এককত্বকে। একজন শিল্পীর স্ব কে ছুঁড়ে দিয়েছেন উল্টোদিকের দর্শকের দিকে কারণ সে দিকে রয়েছে একটি সময়। মারিনার কথায়- ‘আই ডু নট হ্যাব এন আইডেনটিটি’। সত্যি। আমার কোনো পরিচয় নেই।যুগোশ্লাভকে আমি ফিল করতে পারিনা।যদিও আমার অভিভাবকরা মন্টেনিগ্রোর এবং পাক্কা কম্যুনিস্ট যারা তার মেয়েকে প্রশ্রয় মেশানো আদর আর অসহয়তার বাইরে মানসিকভাবে একজন সৈনিকের মত গড়ে তুলতে চেয়েছেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও মন্টেনিগ্রো বলতে আমার কাছে সেখানকার মানুষ আর গাছ পাহাড় মাটি মেশানো একটা কিছু, তার বেশি না।আমার কাছে জার্মান পাসপোর্ট রয়েছে। চল্লিশ বছরের বেশি আমেরিকায় কাটিয়ে দিলাম, ষোলো বছর জার্মানীতে।সত্তরের দশকের গোড়ায় ইটালীতেও ছিলাম বেশি কিছুদিন, কিন্তু সত্যি বলতে আজও আমার নিজেকে কোনো একটা জায়গার বলে মনে হয়নি।মূল জায়গাটা হচ্ছে আইডেনটিটি শব্দটাকেই আমি এত ছোটো এত অস্পষ্ট ভাবে বিশ্বাস করতে চাইনা, আক্ষরিক অর্থে এই গোটা বিশ্বটাই তো আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের পরিচয়ের যোগসূত্র; এই বিশ্বনির্দেশ আমাকে অস্থির করে , ছোটোছুটি করায় এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে, বিভিন্ন সংস্কৃতিতে আমি কেবল এক সময়ের পরিচয়ই খুঁজে পেতে চেয়েছি; ফলে যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রেই তার ব্যক্তিপরিচয়ের বাইরে এক ধরনের গ্লোবাল ভিশনকেই আমি মনে করি তার প্রকৃত পরিচয়।প্রতিটা নতুন আবিষ্কার নতুন খোঁজ আমার নিজেকেই জানার এবং সাথে সাথে নিজেকে নিয়ন্ত্রন করারও।কারণ এই ভাবে দেখলে ব্যক্তিপরিচয় ব্যাপারটাই একটা বাঁধা, একটা ফ্রেম যা আমাদের আরও বড় কোনো বৈশ্বিক ল্যান্ডস্কেপ দেখতে নিত্য বাঁধা দেয়। সূর্য, চাঁদ, অন্যান্য গ্রহ তারা নক্ষত্র, আকাশগঙ্গা সবই আমার খুব প্রিয়। আইডেনটিটির মত একটা আইডিয়াকেই আমি ঘৃণা করি কারণ নির্দিষ্ট সব কিছুরই একটা সীমা আছে, সময় আছে, আর আমার মনে হয় বহুদিন আগেই আমি আমার পরিচয় হারিয়ে ফেলেছি।
ঠিক এখানে দাঁড়িয়ে আবার একই প্রশ্ন করা যেতে পারে-‘দেখা’কে আপনি কিভাবে দেখবেন ?” আসলে শিল্পী হল এক এবং একমাত্র ব্যক্তি যে কিনা মিরাকল ঘটাতে পারে, একদম কিছু না থেকে তিনি বানিয়ে ফেলতে পারেন সব কিছু । শেষমেশ কেবলমাত্র চেতনাই ধারন করার মত মনে রাখার মত জিনিস। এ মত কিন্তু মারিনারও। কিন্তু তিনি স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন তিনি, ফলে চেতনার নামে মানসিকভাবে নির্বাসন শব্দটাতেই খুব একটা আগ্রহ নেই , কোনো শিল্পীরই বোধহয় নেই। এবং এই দেখার মধ্যেকার নির্বাসন তখনই হয়ত সম্ভব যখন অবজেক্ট দূরে চলে গিয়ে নিজেকে সামনে আনতে পারা যাবে, অর্থাৎ আদর্শ ন্যুড যেখানে ইন্ডিভিজ্যুয়ালিজমে সংজ্ঞা শূন্য এবং দর্শক আপনাকে সৃষ্টি করছে জীবনের প্রতিপ্রশ্নের আঙ্গিকে।আসলে সৃষ্টি করছে তার নিজেকে।মারিনা বলতেন বাস্তবকে ছাপিয়ে ভাবনার অবকাশ নেই। পুরো বিশ্বাসটাই আমার দেখার পরিপ্রেক্ষিত আর তাকে আমি বন্ধ করে দিতে চাইনা।‘এক্সাইল’ শব্দটাই বাকি বিশ্বকে বাদ দেওয়ার পক্ষপাতী এবং শিল্পকেও চেতনাবদ্ধ করে রাখার পক্ষে যথেষ্ট, যেখানে আমি পুরোটাই ধারন করতে ইচ্ছুক। যেদিন নিজের দেশ ছেড়েছিলাম পৃথিবীটাকে দেখব বলে সেদিন থেকে আর থামিনি।বিশেষ করে আমি সেসব জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি যেখানকার মানুষরা আমার কাজ সম্পর্কে অবহিত নন, সেভাবে আয়ত্ত করতে পারেনা আমার কাজ, সেসব জায়গাতেই ঘুরে বেড়িয়েছি, যেমন পাপুয়া নিউ গিনির মানুষখেকো জাতিদের মাঝে, তিব্বতের বা ভারতের কিছু জায়গাতেও। শিল্পের ক্ষেত্রে একজন শিল্পী ও দর্শক দু জন দুজনকে বুঝতে পারবে সেটাই কি সবকিছু? তাহলে সবকিছুটা ঠিক কি? আসলে দর্শককে উপযুক্ত হয়ে ওঠার জন্য দেখাকে উন্মুক্ত একটা নির্বাচন দেওয়া-এবং এটাই হল এক এবং একমাত্র দেখার উপায়। মারিনাও বলতেন আসল জিনিসটাই হল মনোভঙ্গি, যা বাঁধা বিষয়ের বাইরে নতুন মুগ্ধতার জগত নিয়ে ভাবাবে।
তবু ,প্রশ্ন থেকে যায়, দেখাকে আপনি কিভাবে দেখবেন- :)

************************