মজালয়

সব্যসাচী হাজরা

মজালয়
টেপা ভূগোল তাই টিপ্পনি
মাদল বাজছে যমালয়ে
আমি ট্রিপ দেখে টিপ করছি পাতানুকূলে
যম দেখছে হাঁড়ির নিচে লুকিয়ে রাখা দেহ
ওদের ট্রিগারে
বাজে ট্রি ট্রি ট্রা ট্রা
যম এলো আমার নাগালে
আমাকে চাঁদ ভেবে ভুল করলে
রানুদির ভয় চেপে ইন্দ্রানী ‘আমি’ গুনছে আমি
বয়স্ক তারার পাশে অযমবাবু
ফিসফিসিয়ে পোকা সরায় খুলি সরায় ডিগবাজি
প্রচণ্ড ডিগ প্রচণ্ড বা আমি রাজি
গুলিয়ে যাচ্ছে রানু
দেখছে পালিত কাকার কাপালিকপনা
ইন্দ্রানীর পাখি উড়ে যাচ্ছে প্রাণে
মজালয়ে
হাসিপতনের পর!

টেকনিক
ভরপেট প্রথমান্ন খেয়ে কানাই দাঁড়িয়ে আছে।
সিঁড়ির দিকে ভরপেট বহুতল খেয়ে খুঁটিয়ে দেখছে পাতালের বুক ও পাছা। হাড় হিম হচ্ছে হিমের হাঁ এবং আড়ে। মা এবং ধুমা জুড়ে এই আমার মধ্যমা। চুরি করলো কানাই। তাকে নিয়ে ফিরে যাই ট্রেনে।

শ্রাবণ আমার টেকনিক শ্রাবণে। ভরে যাচ্ছে মহা প্রস্থানের গজ। তাই কি মগজ? ঝরে যাচ্ছে বাগানের টেকনিক ধরে। তাই প্রিয় বকুলে হালকা হচ্ছে মুখ। কাকের ডাক আর নাই। শুধু কানাই। তার রক্ত, মাংস, হাড়। ভরপেট প্রিয়তম খেয়ে দাঁড়িয়ে আছে কানাই। হাসির টেকনিক মেখে টিপটপ, আমার মধ্যমায়। তোমার চাতালে।


হরিম রহিম মহির

উপভোগ করুন আপনার পাতাল
সেখানে হরিম রহিম ও মহির আছে সাবধানে
এই মাত্র ভেঙে পড়লো ওরা প্যাটার্ন ছাড়া এককাপ হেনায়
মধু দেখলো পাতালের পোকা মৌমাছি নয়
প্রিয়ংবদা এ যাবৎ ঘুম ভাঙা ত খণ্ডে খণ্ডে যাবতীয়
পাতাল ভারতের
অতল ভারতীয়
বদলে দিন মধু
পাতাল ভারতীয়
অতল ভারতের
কিছুই গ্যালো এলো না
বরংপ্রিয় পাখি ওড়ে না বসে না
প্যাটার্ন ছাড়া পা
তালে তালে প্রিয়ংবদা হরিমের রহিমের
মহিরের নয়...


প্রিয়তল
মনোহরপুর কারা যেন হরেকরকম
কারা যেন গাইতে ভালো
আমি ভরে উঠিনা চাঁদ আগামীতলায়
দ্রাঘিমা বেয়ে ভোজরাজ
ভরে ওঠেনা চলে যায় যেদিকে শ্মশান ভাঙা হবে হরেকরকমে
এই সবার প্রিয়তলা
অর্পিতা অর্চিতা তা দিলো প্রিয়তলে
নিষিদ্ধ’র আজ যাত্রী উঠছে
যারা মহাকালো তাদের লোভ হয় মম হাঁ সাদার
মদ ছাড়বে যারা ম হা হা
পৃথিবী ছাড়বে যারা হা হা ম
অস্থির হলে?
আমার শ্মশান ভাঙা হোলে
মানুষ নেচে বেড়ায় বনে

আমার বনমানুষ রাখী পরে ভাইমানুষের কাছে।