পাখিলাগা জানলা

কৌশিক চক্রবর্তী

পাখিলাগা জানলা ১

চাবির দুঃখগুলো একা একাই দোলনায়।

আমাদের ব্যক্তিগত পাহাড়েরা কোনো একদিন তাদের নাম জানতো। কুটিরশিল্পেরা আহ্লাদী। কাচশহরের সবকটা জলপাই বারান্দায় আজ বিজয়া দশমী।

মনোক্রোমের লজেন্সওয়ালা নিজের ভাষা হারানোর মাঠে একা একাই ভিজছে। ছুটি ছোপানো ফুমালে রাত রেখেছিলে বলে শরীরের ডাকনামগুলো আজ জাফরানি।

গল্প বলা মেঘেরা স্নান বলতেই কেমন খোলামেলা লাগে আজকাল। কাঁচা এলাচের শাড়ি পরে সেই ফাঁকে পাখিরা কেমন দেখি বড় হয়ে যায়।

পাখিলাগা জানলা ২

ভিড় জমা ধুলোর চিবুক। ধার নিচ্ছি। সাদা সাদা চৌকাঠ বাজাতেই চটির নকশা থেকে মুখ বাড়ালো গন্ধলেবুর নৌকো।

পাখিলাগা বাটিকের গায়ে সেই কখন থেকে গানের পাপড়িরা শুকোচ্ছে। লালনীলের আলুথালু পেরিয়ে গড়িয়ে যাওয়া বর্ষাতির রাস্তাঘাট। অনেকগুলো অচেনা প্রচুর পেরোলে আমরা সেখানে ভুল বাক্যের বাড়ি খুঁজে পাই।

দুধের গল্পেরা শুনশান। কথা রাখা চোখের এই ছেড়ে আসার কোনো রোজনামচা নেই। আদরে আদরে তারা বর্ণমালা ভুলে গেলে -- পাখিদের আয়নায় নেমে আসে ঘুমের উল্টোপিঠের গল্প...

পাখিলাগা জানলা ৩

চলো দিলদার চলো। যে পথে ক্রেয়ন চুমুক দেওয়া সন্ধেরাও চাঁদ পার করে। গাছেদের গায়ে গায়ে ইনকা-র নীল বাক্স টাঙানো। ছুটির ফেরতায় কারা যেন তিনকোনা খামোশির লোডশেডিং কুড়োচ্ছে।

পাখিদের পা বাজে। সিন্ধু-কাফির কাফেলায় নদী এসে নামলো কখন। কিছুই নতুন নয়। কাচ নৌকোয় হাম দিচ্ছ হামেশায় আদর পোরা হাওয়াদের শিশুত্বক...

ঝমঝম হলে বারবার কেন আজকাল পাতাদের মানচিত্র ভাসে

কে জানে, আজকাল কেন পত্রমর্মর বললে : নোনতা নোনতা কোনো জন্মরাতের কথা মনে হয়...