মৎস্যপ্রবণতা, দর্পণের আগে

স্বর্ণেন্দু সেনগুপ্ত

কবিতা লেখার থেকে

কবিতা লেখার থেকে বড় কোনো তাৎপর্য
এ রচনায় ধরা থাকবে না
একটি হাতের ছায়া, ত্রস্ত লেখনী, তবুও লেখার
আমন্ত্রণে রয়েছে
অপেক্ষা রয়েছে বেঁচে থাকার, বেঁচে থাকবার উচ্চারণের

একটি কবিতা লেখার থেকে, আরো বড় কোনো দায়
হাতের ছায়ায় এসে জুড়ে বসবে না

এভাবেই লেখা হল একটি লেখা, লিখে রাখবার প্রতিশ্রুতি,
অমনোযোগী হাতের লেখায়


***

আরও একটি উচ্চারণ

আরও একটি উচ্চারণ, আরো একটি অমনোযোগ
লেখার বিষয় হয়েছে
একটি পাখির ছায়া এসে বসেছে ঘরের দাওয়ায়
সে ছায়াও ডেকে উঠবে, ত্রস্ত ডেকে ওঠা
একটি পাখির ছায়ায় আজ নীরবতা বেজে বেজে ওঠে

একটি পাখির ছায়া এভাবেই
পাখির নিছক উড়ে যাওয়ার সঙ্গে মিশে আছে

সকাল সকাল লিখে ফেলা একটি লেখায়

***

মৎস্যপ্রবণতা, দর্পণের আগে

মৎস্যপ্রবণতা, দর্পণের আগে, তাদের মুখে মুখে ফুটে উঠেছিল
আকাশে উড়নপটু, ক্ষাত্রময়, বাতাসের সকল পতাকা
পিতলকে ধারণ করে, এমন স্বভাবদোষ, ভুল বানানের সংসর্গ
তাদের ধারণ করে, আকাশগঙ্গায়

নির্বিকল্প পাখির ছায়া, ছবি ও স্বরের বর্ণনা, তাদের সংগ্রহে রাখা আছে
করুণ বৈশাখ থেকে স্থপতির ব্যবহার, ফুলগুলির আশ্চর্য, এখানে মধ্যাহ্নচিহ্নে
নাস্তিকতায় মিশে যায়, মিশে যাবে দুপুরের বাস্তুসাপের মতো কপালের চক্ষুকুণ্ডলী

ছায়া পড়ে, গভীর আমোদে তাদের হস্তরেখাগুলি
বাংলালিপির মতো বেঁচেবর্তে রয়ে যাবে, ভাগ্যমুদ্রাদোষে