ট্রেকার

হাসান রোবায়েত

কৈ
*
বর্ষা মৌসুমে কিছু কৈ
উঠে আসে ফেনায় ভর দিয়ে
হয়তো ঘর ছিল তারও সোনালী হাওয়ায়
হরিৎ মর্মরের ফাঁকে
সখাবদলের দিনে অলস শ্যাওড়াতলে
রাত্রীর কেয়াবনে নেমে আসে থৈ থৈ আঁশ—
*
দেখেছো অন্ধকার, অশোক-স্তব্ধতার পাশে—
এখানে ঘুমের সুরে
কতশত তারা-নেকলেস
অতনু হাওয়ার কাছে শেফালিও পাপ করে ঘ্রাণ
টোটেম-বিরহ রেখে
কতদূর আপ্ত পরস্পর
জেগেছে পতঙ্গভাব বর্ধিত ঝাপটার নিচে—

ট্রেকার
এতোটা ছোবলভর্তি সাপ
কিছুতেই ঘুরছে না গ্লোব
তোমাকে সত্য ভেবে
পুরুষাঙ্গ হেঁটে যায় গলনের অধিক ছাঁচে
বায়বীয় ট্রেকার কাঁপে
ফাঁকা রাস্তায়
রোজ ফিরে আসে নিহিত সোনার বাঘ
হিংস্র ও হরিণের মাঝে

দেখা
তোমার সঙ্গে না হওয়া সেই দেখা
বৃষ্টি-শেষে নিরর্থ কাঞ্চনে
যাচ্ছে ভেসে রৌদ্রপরম্পরা
বাতাস ছুঁয়ে গুল্মলতার বনে—

ভঙ্গিমা যার চাতুর্যময় পায়ে
সম্মোহনে শঙ্খচুড়ও স্রোতা—
কপাট খুলে আত্মঅভিপ্রায়ে
দাঁড়িয়ে আছে তোমার জটিলতা

রাত্রি-ভেজা রাস্তা ছলাৎছলে
ঊর্দ্ধে বাজে স্মরণাতীত আলো
তোমার সঙ্গে আমার দেখা হওয়া
বজ্রপাতে হঠাৎই চমকালো