তারাদের উদ্যান

সৌমনা দাশগুপ্ত


বাজি
আঠালো বসত ছেড়ে উড়ে গেল প্রজাপতি

নরম আদর দিচ্ছে হাওয়া
শরবন শরবন অমার্জিত
হাতির মাথার চেয়েও উঁচু

ঘ্রে ফিরে জানতে পারলাম
সবচেয়ে খ্যাপা দঁতালের
পিঠেই ভর ফেলেছিলাম


তারাদের উদ্যান

একবার গাছের ভেতর ঢুকে যাও , দেখবে
গাছ থেকে রুপোলি আদর ঝরে পড়ছে
ঘামফুল রক্তফুল
এভাবে ভাবতে পারলে একদিন তুমি
ঠিক তোমার নদীর কাছে চলে যাবে
এভাবে ভাবতে পারলে তোমার ঘরেও
একদিন ছোট তারা বড় তারা
এই ঘর তারাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়
এই বাড়ি তখন তারাদের উদ্যান

তৃতীয় খাতা

সরল অংকের ছঁদে ও যখন আমাকে
হাত ধরে নামাতে নামতে নিয়ে
গেল পৃথিবীর ভ্রুণবিন্দুতে
আমি কোদাল বেলচা হাতে
ছেঁচে তুললাম। ঢুকে গেলাম
আরও একটি গল্পের
নিউক্লিয়াস থেকে নিউক্লিওলাসে

এই তো কতদিন হল তোমাকে
এক টুকরো মেঘ দেব বলে বসে আছি
অন্যরকম একটা মেঘ ঢুকে যাবে
তোমার পাড়ায়। বিছানায় জলদাগ

থিয়েটারের ড্রপসিনের পেছনে জলবিন্দু
লুকিয়ে আমাদের দেখছে আর প্রতিদিন
কম্পাস থেকে খুলে গেছে কাঁটা। আর
ধানের ভেতর ঢুকে গেছে অন্ধকার

গাছ চিরে ফালাফাল করে আমি দেখেছি
কোষকলার সবটা কারুকাজ
জাইলেম ফ্লোয়েম। দেখেছি ক্যানভাস
ঢেকে গেছে ওপেক কালোতে

এসব অনুবাদ করা যায় না। আসলে
প্রত্যেক কবির একটি তৃতীয় খাতার প্রয়োজন