ক্লিওপেট্রা

মজনু শাহ

ক্লিওপেট্রা

আমি চাই না সূর্য আমার মধ্যে প্রবেশ করুক। কী ভয়াবহ,
কোনো ক্লিওপেট্রা যদি ঘরে ঢোকে। ওগো আমার
স্বর্ণপিপাসা নাই, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত একটি গিনিপিগ
একমাত্র সঙ্গী। ওরে সবকিছু এখন হাতছাড়া, যথাক্রমে ধূলি ও
ড্র্যাব হয়ে যাচ্ছে সবকিছু, আমার সমস্ত পথের রঙ বাদামী।





ভুতুড়ে মাঠে

আবার এসেছি সেই ভুতুড়ে মাঠে। কিছুক্ষণ বসব।
আমের মুকুল ঝরেছে অনেক। গাধার পিঠে যিনি এখন মাঠ
পেরোলেন, উনি যিশুর সাঙ্গাত নন। তার পিছে খুব নিস্পৃহ ভঙ্গিতে
হেঁটে গেল এক অচেনা বৌদ্ধ শ্রমণ। আমি তার ভিক্ষাপাত্র
হতে পারতাম। বা তাকে অনুসরণ করা কোনো পাখি।
কারো গানহারা এক পাখি হতে পারতাম যদি সন্ধেবেলা!
দশ পাল্লা ঘুম জেগে উঠছে আমার ভিতরে।

ধ্যান

পড়ে আছে আধখানা রুটি, ফল, ব্যবহৃত সাঁতার-পোশাক।
ন্যাংটা হয়ে স্নানে নামছ, নও তবু তোমাকে দেখাচ্ছে
সাধু পুরুষের মতো। অজস্র ফুল ভেসে এল তোমার দিকে।
অন্তরীক্ষে বা কাছের ঝাউবনে হেসে উঠল মিচকে কোনো শয়তান।

রাবারের গ্লোব থেকে সমুদ্রে পিছলে পড়ে গেল কেউ একজন।
তুমি নির্বিকার। সৈকতে, উটপাখি ঘিরে নাচ।
এইসব হল্লা, উন্মাদ-হাসির দমক নষ্ট করে দিচ্ছে তোমার ধ্যান,
রাতের তিমির।