অত্যাগসহন

স্বপন রায়

অত্যাগসহন-১

জাগো মেরিণ জাগো,জাগলেই তো রাই আনচান

রবাবে জাফরাণ মেশানো রাই
স্তন কেন ডার্বি, যদি ডার্বি কোন স্তনই নয়
রবাব এতেই ভারতে এল
সরোদ হয়ে গেল

মেরিণারের অবলোহিত ভির্মি এখন
নুনদানি আর রেউরপানির টয়িশ টয়িশ বয় # কে বা কারা চলে গেল
মালীপ্রণীত এই বন ছেড়ে
রোস্টেড বনানীর কাছে,যার একটা ল্যাব্রাডর
তো আরেকটা বুল-টেরিয়ার

এতো সবাই জানে যে মেরিণ ঘুমোয়, মেরিণার না
রাই এসেছিল
রাই বেসেছিল জলসম্পদ আর ব্লাস্টিং নিয়ে
সরোদে জাফরাণের হাত
কি আর করা যাবে যখন মেরিণার একা, সে কোথাও যায়নি
সেতো পাহারাই দিচ্ছে রাইকে
রাইদের


অত্যাগসহন-২

চুলে কি বৈকাল ছিল বিকেলে

করঞ্জা মুষলাধার
ছেড়ে দিলাম বিনা সুতোর মাপ
দিলাম আড়ে চাওয়া রপ্তানি
আর
“সহজ হবে কানের দুল
সহজ হবে নদির পুল,কবে
হঠাৎ করে চলে যাওয়াও
এম্নি সহজ হবে..” এই গানটাও

চুলে আবার পুরবৈয়াঁ,আবার বিকেলে আধা আধা অম্বরী
বাকি অর্ধেক তুমি যে মেরুণ ভালবাসতে
যে আইসক্রিম পার্লার

কি হয় কি হবে শুনসান ঐচ্ছিক গণিতের চলে যাওয়ায়
পেরোবে কিনা এই মাত্র দ্বিধা
তখন রোদ দাম দিচ্ছে সাইকেলের
চুল নিচ্ছে ব্রেক
চোখ তার গিমিকবিরোধী ভেজা ভেজা আরজু
আর আমি কে
কে ব্বে আমি
বেঁকে যাওয়া শ্রমের দিকে যখন রোগা হচ্ছে বারান্দা

সে হাসছে, এত আয়ুর হয়ে যাচ্ছে
হাসিতেই শাম্মিকাবাব সায়রাঋতু সিক্সটিফোরের
হাসিতে আমিও
কাৎ
হয়ে দেখলাম পৃথিবী কত গোল কত গভীর কমলালেবু

জানলা আমার-১

শুঁয়োপোকা প্রজাপতির জন্য,পুরো ব্যাটালিয়ান আকাশবানীর জন্য, লিখেছি যখন শান্টিং-এর বাংলায় এসে দাঁড়িয়ে আছে ২৯ ডাউন, বেশ কুয়াশাও

পেরিয়ে আসার পরে মনে হল সব ঠিক আছে, এমনকি টোলটাও!ক্রস করার কথা নয়, করলো...শরীর এরকমই
সল্টলেক বা গরফার ভাপ নয়
চলে যাচ্ছে ২৯ ডাউন এরকমও নয় কিন্তু

ভোরে ষন্নতা থাকে, ভোরে “আমরা তো ছিলাম,আমাদের ছায়াও পড়তো” এই টানে শুরু হয় মার্চপাস্ট
আকাশ অ্যাব্রাহামের বেহালা
বানী শুধুই মাধবী, শুধু শুধু মাধবীমূলক

এবার এল অরুণ, উদিত পরিবারে
আর কি চলো বাজার, আজ কুমড়োফুল কিনবো আর ইহলোকের পাবদা...



জানলা আমার-২

তুমি যেভাবে হেসেছিলে
সেই হাসি এখন ব্রিজ

মেঘের রঙে জিনসের রঙ
পিপাসা স্টিচ করা
ফুল ফল জায়গা বদলে নিচ্ছে
গ্রাম যে!
নদি পেরিয়ে এই সেই বিশ্বাসযোগ্য v
সুইং আছে
পড়লো ব’লে নিউটনও আছে
জানলা জানালায় রিয়ার ক্লু, সেও এক দূরের ক্রেয়ন

তেহাই তেহাই আজ নদিপেষা হাওয়া
তুমি কি ভাবে যেন
ব্রিজ কি ভাবে যেন
হাসি তো আছেই, গ্রাম যে হাসিকেই রাখে নবীনার কাঁধে ঈষৎই

সেই আমি
সেই তুমি
সেই নদি কিভাবে যেন আর পেরিয়ে যেতে পারিনি