শালিকপক্ষের আলফাজনামা

রাহুল গাঙ্গুলী




------------------------------------------------------------ -----
কয়েকটা সময় আসে সময়ের গর্ভ থেকে।আর প্রতিটা গর্ভস্থ সময় সময়ের আদরকে ছুঁতে চায়।এই চাওয়া পাওয়ার সাম্পান যতোটা জটিল,ততোটাই সহজ।সহজ-জটিলের প্রমুখতা ছেড়ে আমরা বাড়তে দিই ক্যালেন্ডার।যার কাছে সম্পূর্ণতা বা অসম্পূর্ণতার কোনো দায়ভার নেই।কাজেই চিঠি লেখার সমস্ত প্রয়োজনীয়তা এবং অপ্রয়োজনীয়তাকে বুঝে বা না বুঝেই তৈরি করতে থাকি জমাট ইথারের তাজমহল।আসলে তাজমহল বানানোটাই প্রাসঙ্গিক (না কি অপ্রাসঙ্গিক) : যথেচ্ছ আয়না ভেজানোর বিষয়।বলতেই পারি আয়নার তরঙ্গই মিলিয়ে দেওয়ার একমাত্র সোপান।অন্ততঃ সেরকমই ইঙ্গিত।গোপন সুড়ঙ্গপথ খুলে ফেললে এরকমই কিছু অন্দরমহলের কাচ।কাচ-স্পর্শ সত্যিই বড়ো অদ্ভুত।


(১)
'অবেলায় কাজোলস্পর্শে জমিয়ে রাখছো ঘাম
নোনাঘামের দাগ মুছি।কিছুটা সমুদ্রের মতোন'

টিংটিংটিংটিং।ছুটির ঘন্টা পড়ে গেলে ইচ্ছে করে না লিখি।ইচ্ছে করে না কোনো পরিচয় হোক।একটা সাবেকি ছোঁয়া কেবল হেলতে দুলতে কয়েকটা হেলায় হাতে নেওয়া মেরুন ঘাসফুল।বড্ডো মনকেমন।কয়েকটা মেঘ যেমন গ্রাম থেকে শহর।ধূধূ ওড়ানো আলপথ থেকে পিচরাস্তা।যার কোনো বর্ডার নেই।কাঁটাতার নেই।পৃথিবীর ভিতর পৃথিবী : সমস্ত ছাড়িয়ে ব্ল্যাকহোলস্ তারপর অন্য কিছু অন্য কোথাও।কিভাবে কখোন চেরিবৃষ্টিগুলো নিজেকে পাল্টে ফেলে বোঝা যায় না।কতোটা ভিজলে রোদও পুড়বে।যে কোনো ডাইমেনশনে চেহারায় একটা লিপিজ রামধনূর আদল ফুটে ওঠে।
এইসব রামধনূর আদলগুলো কিন্তু প্রাথমিক ভৌত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এক।আবার অনেকসময় রাসায়নিক বিক্রিয়ার আগে বা পরে ১ম জ্যামিতি থেকে ২য়,আবার ২য় থেকে ৩য়।একেএকে আঁকতে থাকা চে সম্পূর্ণ অবয়বের ভীড়।প্রতিফলন বা প্রতিসরণ যেটাই হোক রামধনূ হাতে থাকা কোনো পরশপাথরের থেকে কম নয়।অনেকটা বলা যেতে পারে সেই ম্যাজিকের মতো,যখন ঘটনা প্রবাহের পর নিয়ন্ত্রণহীন দর্শক শুধু রামধনূর আকার হতে চায়।পেঁজা ক্যানভাসে ফুটে ওঠে মেরুন তুলির টান। মেলানকলিক্ চাকতির ঘুম।ঘুম বড়ো অদৃশ্য সম্পত্তির মতোন,কখনোই গাঢ়ত্ব সুখে মালিকানাধীন হবার নয়।ভারী জল মিশে যাচ্ছে গোপন কেন্দ্রে।ত্রিমাত্রিক অরবিটকে ইচ্ছে করছে বহুমাত্রিক জ্যামিতিতে সাজিয়ে দিই।কখনো কঠিন,কখনো তরল,কখনো বাষ্পীয় ভিত্।হাত ফেরতা অসুখগুলোকে সুখী দ্রাব্যতায় ভাসিয়ে খাচা খুলে মেঘ ভাসাই / শব্দ ভাসাই / মহাকাশ ভাসাই।সবই আসলে সেই অচেনা ঠিকানার জন্য।


(২)
'পাপড়িতে গুটিয়ে থাকা শঙ্খচূড়ের ফিসফিস
বাঁশিওয়ালার নিয়ন্ত্রণাধীন।ফুঁ দিলে বাঁশির ছোবল'

বৃদ্ধ বটগাছটাকে একবার একটা ময়ুর পালক উপহারে দিয়েছিল কেউ।ভেবেছিল বড় হলে সেই পালকে চেপে মহাকাশ পাড়ি দেবে।অথচ উপহার কেউ কখনো ফেরত দেয় কিনা জানা হয়ে ওঠে নি।এই যেমন আমাকেই ধরা যাক।সম্পর্কের নিরীখে উপহার চাইলেই দি।তারপর সম্পর্কগুলো তলিয়ে যায়।ভূমধ্যসাগর আঁকাটা সহজ,বুঝে ফেলা কি আরো সহজ?অসংগত প্রশ্নাবলী কিলবিলিয়ে ওঠে,ঝরে পড়তে চায় (আড়াল - দেওয়াল - আবহাওয়া),তারপর ব্যক্তিগত নিস্তব্ধতা।ব্রহ্মাণ্ ডের এমন কোনো উপহার নেই, যে নিস্তব্ধতা চায় না।সে আঙুল স্পর্শের কৃষ্ণ উত্তাপই হোক বা আগ্নেয়গিরির চলমান সংকলন বা সূর্যঘড়ির সুপারসনিক্ আওয়াজ।আদপে উপহারের ভিতরেই সবকিছু থাকে,যেমন প্রশ্নগুলোকে উল্টে দিলে উত্তর।বিদ্যুৎ চমকায় ঝর্ণামতি ঈশারায়।বলা ভালো ঈশারাই চরমতম উপহার।পথ চলি,ঈশারা গোছাই,প্রমুখ ঈশারা সাজাই : ঝড় - জল - বরফ।সমস্ত ব্যক্তিগত আদপে খানিকটা ফেলে রাখা ব্যক্তিগত অংশবিশেষ।যার অস্থায়ী চূড়ান্ত, বা কখনোই কোনো স্থায়িত্ব ছিলো না হয়তো।একের পর এক যাবতীয় বিসর্জন মিশে যাচ্ছে শাদাকালো বুদবুদের মাতলামিতে।


(৩)
"সহজকথা ভেবে গুছোই সারাদিন।অথচ বলছো গোটা দিনটাই পাপড়িকণার মনকেমন।
জটিল শাঁখে পেরিয়ে যাই যাবতীয় সীমান্তকথন
ব্লাউজের হুক্ থেকে নিরুদ্দিষ্ট ছায়ামথ্"

জটিল-সহজের কথা এলেই বারবার শতাব্দী / সুমনা / শ্রেয়সী / প্রমা / রুমেলার কথা মনে পড়ে।বৃষ্টি একটা কমন ফ্যাক্টর এখানেও।আর বৃষ্টিকে প্রথমবার চুমু খাওয়া অবশ্যই।হাতদুটো এগিয়ে দিয়ে কাকেই বা কবে বলেছি,আমাকে নেবে?এসব চাওয়ার নেগেটিভ রেখে দিলে বেশ হয়।জমিয়ে রাখি, শুধু সোডিয়াম থায়োসালফেটের বিক্রিয়া অপছন্দের।এখন তো বেশ।নিহিত ডিজিটালের মেলানকনিয়ায় (চশমার মনকেমন) প্রকাশ্য বিছানা ও আদর।তবুও ততোটা সাহস কি আছে?নিকোটিন চালান হয়।মগজ প্রশ্ন করে হৃদয় তুমি কি আছো?হৃদয়ের কাছে ফুসফুস ১টা রামধনূর ইউটোপিয়া ছাড়া কিছু নয়।একাকীত্ব দেওয়াল বেয়ে হামাগুড়ি দেয়।ব্যক্তিগত নিয়মে চুঁইয়ে পড়তে গিয়ে থমকায়,আবার নিজের খেয়ালে হাঁটে।
জানতে ইচ্ছে হয় শতাব্দী / সুমনা / শ্রেয়সী / প্রমা / রুমেলা = এখনো ভালো আছো তো?নাকি আছিস।
ভালো থাকার সমীকরণ গড়তে থাকলে ভিন্ন ব্যবহারিক আয়োজন।আনন্দ আয়োজনে গভীর সূক্ষতা,যেনো প্রথম ঋতুকে আমন্ত্রণ করে সাবালকত্ব জানান্ দিচ্ছে পিচ রাস্তার লীনতাপ।রাস্তাকেও বিছানায়,বিছানাকেও রাস্তায়,গোপন নিভৃত,নিভৃত গোপন,গোটাটাই নিভৃতচারী সরীসৃপ।ছোবলে মুছে যাচ্ছে ঋন।ব্যাভিচারী সামুদ্রিক ঋনশোধ।হল্লার চাহিদা জমছে অনির্দিষ্ট পাকস্থলী মতে।সেখানেও সবুজেসবুজ ফসল।ফসলের গোড়া খুড়ে দার্শনিক অ্যাসিড।অ্যাসিডেরই চাহিদা ছিলো,বিছানার বাউন্ডারি বা তারও বাইরের কিছু।ইদানীং চিন্তাতেও অ্যামিবার চাষ।কতোটা অপরাধী না জেনেই শরীরটাকে ভাবো বৌদ্ধ শিলালিপি


(৪)
"নদীভিতে নক্সা কষি
আলপনার ভিতর একটু কালো
কৃষ্ণপক্ষ ছড়িয়ে যায় উপশিরায়।
স্থিতির ইনজেকশন্"

ছোটোবেলায় কিনা জানি না নাকি বড়োবেলায় ১টা ইংরেজি গান (সম্ভবত সাইমন্ দ্য গারওয়েলের) জলছাপের মোহর এঁকেছিল।বলেছিল স্মৃতিভ্রষ্ট = মেমরি ডিলিট নয়।তবুও ভুলে যেতে চাই।পারি কি
কয়েকটুকরো বিস্ফোরক সেতু,একের পর এক,পরতের পর পরত কেবল জমিয়ে রাখি।আর আগলাই।তারপর..........
কিছুটা ব্যখা ও সিগারেট ও XXX রাম বা পর্নতে:
ধরা পার কেউ একজন আপনার জগদ্দল স্থিতিশীলতাকে ভরপুর চ্যালেঞ্জ করলো।রিএকশনের অপশনাল ফ্যাক্টরগুলো কি?কেউ যদি বলে আপনার প্রসবদ্বারের জীবন্ত সংষ্করনের সাথে কোনো যৌনকর্ম আছে,আর আপনি তা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন আর কল্ করছেন 7th নো ট্রাম্প।কতোটা প্রতিবাদ? তার ঘুনপোকার ব্যস কতো।জানি না।শুধু চিয়ার্স বলে বোকাচোদার মতো লাইট ফিউজ্ হই।আলোর ভরবেগ : প্রশ্নটা হল্ট করে।অতএব বেছে নিই প্রিয় ম্যাজেন্টা রং।
শতাব্দী তো সেচ্ছায় শরীরে দিয়েছিলো তার সীমাবদ্ধতা।
এসব অতি-বাউলের কথা।কে যেনো বলেছিলো অন্ধকার ঘরে আপনি মোমবাতি জ্বালালেন।যেটুকু আলো (আপনার নিজস্ব সত্যি),যেটুকু অন্ধকার,তার বেলায়?
প্যাভলভের থিওরি পড়ি জৈব চাহিদায়
যেটুকু অস্পৃশ্য সঙ্গমের ভরবেগ : নিখাঁদ ম্যানইটার

"ছুতে চাইলেই বন্যা হোক।অথবা বন্য
সিন্থেসিস্ : বিছানায় ছাই বা চাই : সমার্থক
উপপাদ্য বয়ে চলে ময়ূর নৌকা।কালরাত্রি
অবশেষে ঘনো থমথমে নাইটাঙ্গেল হলো
শিশ্ন-পতন ঘটে।তোমাকেও ভালোবেসে গিলোটিন
ছদ্মবেশে সকলেই বেচতে চায়।আলাদীন আছে"

(৫)
এখনো জীর্ন মমতাজ্ মহলকে স্বীকৃতি।সাক্ষর্ করেছি,১টা বাতিল শিশির।হীরের মতোন।অনভ্যাস গড়ে ওঠায় সর্বনাশের নাবিক।সর্বনাশ যখোন উঠলোই পা একটু টলোমলো করুক সুমনা।ঈশরাতের তিল্ বহুলাংশে পবিত্র।সুযোগ হয় নি দৃঢ়তাকেও কুসুৃমকুসুম গঙ্গাজল।তবুও (সুমনা / ইসরাত = নাব্য শতাব্দী ঝুম) গোটা ভ্যানিশিং ফ্যাক্টর, না পারলে বলো সমাংশে বদলে দেবো শীখন্ডী আগাম।মহাভারত।ভাবো তো বিছানা।আমার বিছানা অগোছালো অনিয়ন্ত্রিত।
চশমায় মিশিয়ে দিচ্ছি বরফ।পালকেরও চুলচেরা তবায়েত্ কোলাজ।প্লীজ ভিক্ষা চাইছি : শারীরিক
আউট্ অব্ ফোকাস।গোটা সময়টা আলাদা
বিবাহিত শতাব্দীকে ধর্ষন করা।ট্রয় ও রামায়ণ : উভচরী পথচলার লীনতাপ।আর সমস্ত তাপ জুড়েই কখনো উষ্ণ কখনো শীতল,যেন অনেকটাই ভিসুভিয়াস ও বরফের ওপেক্ মুখোমুখি।পর্দা হারিয়ে যায় অথবা পর্দা হারানোর ইচ্ছে।সবই যেন ভাসমান পালকের সাথে কথোপকথনে ব্যস্ত।নিয়মগুলোর রক্তাভতায় হাত সেঁকে নেওয়া,অতঃপর বেশ কাছে অসীমবর্তী শূন্যস্থান।


"আপাতত ১টা মাথা।২তলা জুড়োলে
বাঁয়ে ও ডাইনে আকারহীন মধ্যাহ্ন
যে কোনো সাইরেন : নৌকাডুব।পরবর্তী ডুবুরী
খনিজ বৈশাখ তোলা মিথোজীবী আঙুল
ভারী জল।ঘনত্ব বাড়ায়
ঘনত্ব বাড়িয়ে চলে ভারী জল।অভিকর্ষ তাপমান
দিনলিপিকে গুছিয়ে রাখি হ্যাঙারের চামড়ায়"


(৬)
ফুঁ দিলেই মনে পড়ে হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা।সম্মোহন কতো মাত্রার বা কতোটা আয়তনের : কখনোই দেখার চেষ্টা করি নি।হয়তো কালো চশমায় রেটিনাদের শান্ত থাকার ফল।পরবর্তী ফলাফল ঘোষনার ইশারা আসলেই,সমস্ত ডাকবাক্সের শীত-জল-চূনকাম।সাবান ফেনায় ভুলিয়ে রাখি নিশ্চয়তাবোধ,ফুসফুস ক্রমশঃ বিশুদ্ধ হয়ে ওঠে ফার্নেস নিভু আঁচে।তারপর হ্যালোজেনের গতি।যা বাড়লেই বোঝা যায় ব্যক্তিগত ক্লান্তির পোষাক।কয়েকটা বেলুন যেমন রেখাচিত্র এঁকে বলে বেলার অবস্থান পাল্টায়।সূর্যস্নাত নিষিদ্ধ মিলন : মেঝেতে নির্ভেজাল কোণাকোণি।
সময়োচিত মায়াজম্ থেকে বাইক ছুটছে।গতিবেগ যোগ করছে অসীম ছায়ামান।পিছনের সিট : বড্ড কাছাকাছি (শতাব্দী / সুমনা / শ্রেয়সী / প্রমা / রুমেলা)র পর নতুন মুখ অভিশ্রুতি।মাটি থেকে আকার নিচ্ছে রুদ্রাক্ষের মূর্তি,বৃষ্টি পড়ছে অঝোর।মেটাফরে গুঁড়োগুঁড়ো তাজমহলের কাচ

"হ্যাঙারের চামড়ায় গুছিয়ে রাখি দিনলিপি
তাপনৈতিক অভিকর্ষ।ভারি জল বাড়াচ্ছে ঘনত্ব
ঘনো জল : ভারিত্ব বাড়ায়
মিথোজীবী আঙুল তোলে বৈশাখী খনিজ
পরবর্তী ডুবুরী।নৌকাডুবের যেকোনো সাইরেন
মধ্যাহ্ন আকারহীনে ডাইনে ও বাঁ
জুড়োচ্ছে প্রতিতলা।একাধিক মাথা : আপাতত"


(৭)
নিথর বর্ষায় ক্রমশঃ ভিজছে।জামার বোতামগুলো শুষে নিচ্ছে চাঁদভিগি বারিশ।শাঁখ বাজছে,ভোরবেলার সন্ধ্যা-যুবতী বুনে দিচ্ছে পেঁজাতুলোর মেঘমেঘ আসমান।প্রদীপ জ্বলছে যেন মেরুন মেরুন ভিতরগুলো পাড়ি জমাচ্ছে ঘুরপথে।লাট খাওয়া মনমদিরা-ঘুড়ি কয়েকটা (ছাদ অ্যান্টেনায়) সুড়ঙ্গ বিভাজনের আঁচিল।এসমস্ত ফসিল ফলানোর কোনো সমাপ্তিরেখা নেই।কেবল ছাইমাখা খাম্বাজ ও বনপলাশের ঢলাঢলি চতুর্ভুজ।সমস্ত প্রমাণ যেখানে কয়েকটা স্যিলুট ফেরতা অনুরণন।প্রতিধ্বনি আসে যায় ভাসে আঘাত করে।বিজারিত মন্তাজ কিছুটা
সমস্ত বৃত্তগুলো যতোই সরে যাক উপ বা পরা-র দিক ঘেষে,রাত আড়ালিয়া সুখে প্রতিটা কেন্দ্র এক।মৃত্যুহীন ধ্রুবতারা জোরালো সঙ্গতের দাবি জানায়।আর সে নিয়েই সাবালক্ হয় বিলাপের ইস্তেহার।

"গোটা ভীড় জুড়ে বৃষ্টি এনেছে : পিয়ানো রিংটোন
উফঃ।বুকের মাঝখানে মেরুন কাগজের ভেলা
ক্রমশঃ ভিজছে ঠোঁটের আগল
চৌকাঠ মাড়িয়ে ফেলা মুঠো ছাই : জলঢেউ ভাঙে
নিশ্বাস কাছে আসে।ঘনিষ্ঠতম ফরিস্তা চিরাগ"